
প্রকাশিত
সোহাগ হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধি :
যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা-রুদ্রপুর সড়কে ট্রলি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরবাইক চালকসহ দুই যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন জন।
সোমবার সকালে উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ‘সালামের মোড়’ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শার্শা থানার ওসি শামিনুল ইসলাম।
নিহতরা হলেন, বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর ভান্ডারীর ছেলে মিদুল হাসান নাহিদ (২৫) এবং একই গ্রামের জমাত আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন ঊষা (২৭)। দুর্ঘটনায় তাদের সঙ্গে থাকা একই গ্রামের শাহজাহানের ছেলে রুবেল হোসেন (৩০) গুরুতর আহত হন। এছাড়াও ট্রলি চালক রুদ্রপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম ও তার সহকারি নিরব হোসেন আহত হয়েছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে পুলিশ জানায়, রাতে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের ফুটবল ম্যাচ দেখার পর ভোরে উষা, নাহিদ ও রুবেল একটি মোটরসাইকেলে করে রুদ্রপুর বাজারে আসছিলেন। অন্যদিকে, ইটভাটা থেকে ইট আনার উদ্দেশ্যে দ্রুতগতিতে ট্রলি নিয়ে গোগার দিকে যাচ্ছিলেন চালক টলি চালক আমিরুল। রুদ্রপুরের সালামের মোড় এলাকায় পৌঁছালে বেপরোয়া গতির কারণে উভয় চালকই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলে থাকা উষা ও নাহিদের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় আহত মোটরসাইকেলের অপর আরোহী রুবেল, ট্রলি চালক ও তার সহকারিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠায়।
শার্শা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) চঞ্চল কুমার জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাপাচি মোটরসাইকেল ও ট্রলিটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রেরক, সোহাগ হোসেন
বেনাপোল যশোর
০১৯২৭০৩০৯২৮
২০/৭/২৬
শার্শা সীমান্তে ৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার
সোহাগ হোসেন বেনাপোল থেকে :যশোরের শার্শা উপজেলার অগ্রভূলাট সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২০ জুলাই) ভোরে অগ্রভূলাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় একটি বিশেষ চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৪৮৬ বোতল অবৈধ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও যে কোনো ধরনের চোরাচালান বন্ধে বিজিবির এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।