

প্রকাশিত
গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা চালিতা বুনিয়া ইউনিয়নে ভাগিনার হাতে মামি লাঞ্চিত। আহত পারভীন বেগম (৪০) হচ্ছেন চালিতাবুনিয়ার মরাজাহাঙ্গীর গ্রামের মাহাবুব হাওলাদারের স্ত্রী।
আহত পারভীন বেগম বলেন, আমার স্বামীর জেলে বোডের মাঝি শাওন শেখ (৩৫) ও তার ভাই সায়েম (৩৪)অবরোধের পরে মালিক মাহাবুব হাওলাদারের সাথে রুহুল মেম্বরের ঘরের সামনে গত ১৬ই অক্টোবর শুক্রবার বেলা আনুমানিক ২ টার দিকে জেলে বোডের হিসাব নিকাশ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায় চরাও হয়ে আমাকে মারধর করে। আমার ডাক-চিৎকার এলাকাবাসী এসে পড়লে মারধর কারীরা পালিয়ে যায়। পরে ওই রাতেই ট্রলার যোগে আমাকে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার ইমরান বলেন, আমার চিকিৎসাধীনে পারভীন বেগম ২য় তলায় ১৭ নম্বর বেডে ভর্তি রয়েছে। তার মাথায় আঘাত লেগেছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুল যখন রয়েছে। আহত পারভীন বেগমের স্বামী মাহাবুব হাওলাদার বলেন,আমার স্ত্রীকে আমার ট্রলারের মাঝি শাওন ও তার ভাই সায়েম মারধর করেছে।
আমি আইনের মাধ্যমে এদের বিচার চাই। আজ ছয়দিন অতিবাহিত হলেও তারা কেউ হাসপাতালে আসেনি। আরো মামলা করলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আহত পারভীন বেগমের ছেলে মিঠুন হাওলাদার বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাকে আমাদের জেলে বোর্ডের মাঝি শাওন ও তার ভাই সায়েম মারধর করেছে। আমি এদের সঠিক বিচার চাই। প্রতিপক্ষ জেলে বোডের মাঝি শাওন শেখ বলেন,টাকা পয়সার হিসাব নিয়ে মালিকের সাথে বসা হয়েছিল। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। মারামারির কথা অস্বীকার করেন। চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.বিপ্লব হাওলাদার বলেন, উভয় পক্ষেই আত্মীয়। তারপরেও দুপক্ষকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মীমাংসার ব্যবস্থা করব। রাঙ্গাবালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জসিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।