যে কোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি, সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা।


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২৬-০৩-০৮, ১১:৫১ অপরাহ্ন /
যে কোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি, সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবিসহ বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হয় ছাত্রদলের কমিটি । এরই মধ্যে শেষ হয়েছে কমিটির মেয়াদকাল। এখন চলছে নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা। নতুন কমিটিতে শীর্ষ পদপ্রত্যাশী নেতারা তদবিরও শুরু করেছেন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে, যে কোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণে শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক পদে কয়েকজন নেতার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। সংগঠনের ত্যাগী ও দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় নেতাদেরই নতুন কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত কারা নেতৃত্বে আসছেন তা নির্ভর করছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।

এদিকে সম্ভাব্য নতুন কমিটি নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিগত দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং গ্রহণযোগ্য নেতাদের হাতেই সংগঠনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হোক, এমনটাই প্রত্যাশা নতুন কমিটিতে পদ প্রত্যাশী নেতাদের।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে উপদেষ্টারা দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পুনর্গঠন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার পরামর্শ দেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা

নতুন কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসসহ অনেকে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী বেশ কয়েকজন থাকলেও এগিয়ে রয়েছে রাজু আহমেদ।

নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী রাজু আহমেদ বলেন, নতুন কমিটি একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া। বিগত সময়ে যারা আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিল। তাদেরকে দিয়ে কমিটি দিলে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা খুশি হবে। সংগঠন এবং সাংগঠনিক অভিভাবক চাইলে যে কোনো সময় কমিটি হতে পারে।