
প্রকাশিতঃ১৯ মার্চ ২০২৩
জেলা প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বাস খাদে পড়ে নিহত ১৯,
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ভাঙ্গা-মাওয়া-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।
রোববার (১৯ মার্চ) সকাল সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় খুলনা থেকে ঢাকাগামী ইমাদ পরিবহনের বাস খাদে পড়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ইমাদ পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর আগে এক্সপ্রেসওয়ের শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। এতে দুমড়েমুচড়ে যায় বাসটি। এ পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ১৭ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আহতদের উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঢামেকে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পরিবার-পরিকল্পনার ডিডি অনাদি রঞ্জন মজুমদার, আবু হেনা মোস্তফা কামালের মেয়ে আফসানা মিমি, গোপীনাথপুরের তৈয়ব আলী মিয়ার ছেলে হেমায়েত মিয়া (৩৮), টুঙ্গিপাড়ার কানচন শেখের ছেলে কবির হোসেন (৫৩), গোপালগঞ্জ সদরের এমরান আলীর ছেলে সজীব, পাচুরিয়া গ্রামের মো. মাসুদের মেয়ে সুইটি আক্তার (১২), বনগ্রামের সামসুল শেখের ছেলে মোস্তাক আহমেদ, মুকসুদপুর উপজেলার আমজেদ শেখের ছেলে মাসুদ (৩২), খুলনার সোনাডাঙার শেখ আহম্মেদ আলীর ছেলে শেখ আবদুল্লাহ আল মামুন, খুলনার চিন্ময় প্রসুন্ন ঘোষ (৩৭), ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সৈয়দ মুরাদ আলীর ছেলে সৈয়দ ইসমাইল (৩৮) ও নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কালনার বকু শিকদারের ছেলে ফরহাদ শিকদার।
শিবচর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম মো. মোফাজ্জেল হক গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ১৭ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। ঢামেকে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়।