
প্রকাশিত, ১১ মার্চ, ২০২১
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ
মাগুরা সদর উপজেলার বগিয়া ইউনিয়নের (৯নং ওয়ার্ড) আলোকদিয়া থেকে ২ কিলোমিটার পুর্বে বালিয়াডাঙ্গা গ্রামটি অবস্থীত। এই গ্রামটিকে সবাই একটি আদর্শ শিক্ষিত গ্রাম বলেই জানে এবং এই গ্রামের অনেক জ্ঞানী গুনি ও ধনি পরিবার রয়েছে।
এই গ্রামেরই বাস করেন গরীব অসহায় নারী শকুরন নেছা । পিতা মৃত মোঃ মনতাজ মোল্লা। আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে তার স্বামী মারা যায়। স্বামী মারা যান এবং দুটি সন্তান ছিলেন তারা অসহায় মাকে রেখে পরো পারে পাড়ি জমায়।
শকুরন নেছা একজন দরিদ্র মানুষ, মানুষের দারে দারে চেয়ে খেয়ে জীবন যাপন করেন। তার নেই ১০ টাকার চালের কার্ড নেই সরকারি সহয়তার ঘর। আছে শুধু বিধান ভাতার কার্ড যা দিয়ে তার প্রতিমাসের ওষুধ কেনার টাকায় হয় না। শুকুরন এর নামে আছে প্রতিবন্ধী কার্ড কিন্তুু পায়না তিনি কোনো প্রতিবন্ধী ভাতা।
প্রতিটা গ্রাম চেয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। এখন বয়সের ভারে চোখের সমস্যার কারনে চলাফেরা করতে হচ্ছে অনেক সমস্যা।
থাকে মাটির ঘরে বর্ষায় ঘরের চালের ফুটো দিয়ে পড়া পানিতে ভিজতে যায় তার ভাঙা ছোট ঘরটি। শকুরন নেছার কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমার নেই ছেলে মেয়ে, সারা দিন রৌদে পুরে পায়ে হেটে মানুষের দারে দারে চেয়ে এনে অতি কষ্টে জীবন যাপন করছি। এখন বয়সের ভারে চোখের সমস্যার কারনে বাবা কোথাও বের হতে পারি না। আমার যে ভাঙা ছোট ঘরটি দেখছো তা দিয়ে শীতে রাত অনেক কষ্ট করে পারি দিয়েছি। এখন আবার আসলো ঝড়ের সময় এই ঘরটি নিয়ে সমস্যা আছি। যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যাক্তি কিংবা সরকারী সহয়তার ঘর আমাকে দিয়ে সহযোগী করতো!
এলাকার লোকের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, হ্যা এই গরীব অসহায় মহিলাটি সরকারি ঘর পাওয়া যোগ্য এবং আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে মানুষের দারে দারে চেয়ে জীবন যাপন করছে। এলাকার লোক জন আরো বলেন, সমাজে দেখা যায় যারা আয় রোজগার করতে পারে তাদের বাড়িতে সরকারি ঘর আছে অথচ এই গরীব অসহায় মহিলাটি পেলো না কোনো ঘর!