

প্রকাশিত
স্টাফ রিপোর্টার:আজাদ নাদভী
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ কুসুমপুর এলাকায় মসজিদের মাইক উচ্চশব্দে বাজানোর প্রতিবাদ করায় এক মুসল্লিকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে মসজিদের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ রিজওয়ানুল হক (৩৮) সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ দায়ের করার পরই আবার তাকে মারার জন্য বাড়ী ঘরে হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ সোমবার জোহরের নামাজ শেষে দক্ষিণ কুসুমপুর রিয়াজুল জান্নাত জামে মসজিদের সহ-সভাপতি গিয়াসউদ্দিনের (৬৫) কাছে আজান ব্যতীত উচ্চশব্দে মাইক বাজানোর বিষয়ে কথা বলতে যান একই এলাকার বাসিন্দা রিজওয়ানুল হক। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মসজিদের তিনটি মাইক সরাসরি তার বাসার দিকে তাক করা থাকায় তার দুটি শিশু সন্তান এবং গুরুতর অসুস্থ বৃদ্ধ বাবা দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।
রিজওয়ানুল হক জানান, বিষয়টি বিনয়ের সঙ্গে বোঝানোর চেষ্টা করলে বিবাদী গিয়াসউদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বিবাদী তাকে এলোপাতাড়ি চড়, কিল ও ঘুসি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করেন এবং তার পরনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলেন। এসময় বিবাদী তাকে প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করলে তিনি ইছাপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
ভুক্তভোগী রিজওয়ানুল হক বলেন, “আমার বাবা খুবই অসুস্থ এবং ছোট ছোট বাচ্চাগুলো বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আমি শুধু অনুরোধ করতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমাকে মারধর করে জখম করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত গিয়াসউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
সিরাজদিখান থানার সাব-ইন্সপেক্টর ও অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা মো.কামরুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।


















আপনার মতামত লিখুন :