
প্রকাশিত,১৮, এপ্রিল,২০২৩
হানিফ খান স্টাফ রিপোর্টার ঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁ ও উপজেলার পাগলা থানা নিগুয়ারি ইউনিয়নের ১৭ টি ইটভাটা রয়েছে।
যার মধ্যে ১৬টি পুরোদমে চলমান থাকলেও স্বার্থন্বেষী মহলের প্ররোচনায় প্রশাসনের মাধ্যমে আইনের গেরাকলে বিবি ব্রিকস টি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, সকল ইটভাটা চলতে পারলে বিবি ব্রিকস ইটভাটা চলবে না কেন?
সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায় পাগলা থানার শুধু নির্গুয়ারী ইউনিয়নে ১৭, টি ইটভাটা চলমান। কিন্তু স্বার্থন্বেষীর বিভিন্ন স্বার্থ রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের মাধ্যমে একটি ইটভাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে বিবি ব্রিকস নামক ইট ভাটার ইটের মান উন্নত হওয়ায়, অন্যান্য ইট ভাটার তুলনায় গ্রাহকদের চাহিদা বেশি । তাতেই অন্যান্য মালিকগন ঈশানিত হয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হ্যারেজমেন্ট করা সহ ইটভাটাটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
ইট ভাটার মালিক ওয়াহিদুজ্জামান জানান একই এলাকায় পূর্বে ছয় জন যৌথ মালিকানাধীন এমবিবি ব্রিকস নামে একটি ইটভাটা ছিল।
সেটির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর জনক ব্যক্তি আদালতের মাধ্যমে অভিযোগ করলে প্রশাসন সেই এমবিবি ব্রিকস বন্ধ করে সিলগালা করে দেয়, ফলে এমবিবি ব্রিকস বিলুপ্তি হয়ে যায়।
একই এলাকায় ওয়াহিদুজ্জামান, নতুন একটি বিবিব্রিকস নামে ইটভাটা স্থাপন করেন।
সেই ইটভাটার উৎপাদিত ইটের মান ভালো হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে চাহিদা বেড়ে যায়। তাতেই ঈস্বানিত্ব হয়ে বিবি ব্রিকস এর বিরুদ্ধে, এমবিবি ব্রিকস নাম ভাঙ্গিয়ে প্রশাসনকে ভুলভাল বুঝিয়ে ইটভাটাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বাস্তব অর্থে এমবিবি ব্রিকস এর কোন অস্তিত্ব নেই।।
বিবিব্রিকস, একটি নতুন ইটভাটা যার একক মালিক ওহিদুজ্জামান । তিনি যথাযথ পরিবেশ বান্ধব সমন্বয় করে ঝিকঝাক ইটভা স্থাপন করেন । ইউনিয়নের
১৭টি ইটভাটা ঘুরে দেখা যায় কোন ইটভাটার পরিবেশের ছাড়পত্র নেই, নেই কোন লাইসেন্স। তার মধ্যে প্রায় ৭টি ইট ভাটা যা সরকার নিষিদ্ধ ডাম চিমহি দিয়ে চলছে কাজ। এরা সকলেই লাইসেন্সবিহীনভাবে ব্যবসা করে আসছে,
হয়তো কোন দৈব শক্তির জোরে ওই সকল ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তর প্রশাসন অভিযান বা জরিমানা কোনটাই করছে না।
এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি আমাদের জানা নেই অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।
গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদুর রহমান জানান খোঁজখবর নিয়ে,প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।
সাধারণ মানুষ বলছে সকলেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা করে করতে পারলে বিবি বিকস কেন বন্ধ হয়ে যাবে। এটা কি প্রশাসনের দিমুখা নীতি।
আইন তো সকলের জন্য সমান।
ইতিপূর্বে বিবি ব্রিকসের নামে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র না পেয়ে ব্রিকসের মালিক মহামান্য হাইকোর্টের রিট আবেদন করেছেন, রিট পিটিশন নাম্বার ১৪৪১৫/২০২২ , যা চলমান রয়েছে।
বিবিব্রিকসের মালিক
আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র সংগ্রহের জন্য সকল নিয়মকানুন মেনে আইনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে এলাকার বেশ কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান
এমএস কে, ইটভাটা সিলগালা করে দেওয়া হলেও সেটি কিভাবে চলছে
যেটা পরিবেশ অধিদপ্তর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে আগুন নিভিয়ে কিলিং ভেঙ্গে বন্ধ করে দিয়ে যাই।
এলাকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মুরুব্বী বলেন হাবিবুর রহমান মুন্সির ইটভাটা পুনরায় কেমনে চালু হলো।
পরে হাবিবুর রহমান মুন্সিকে ফোন করলে তার ফোন বন্ধ দেখায়।
এলাকা ঘুরে দেখা যায়
নিগুয়ারী ইউনিয়নের চামর্থা গ্রামের ওপর দিয়ে ছোট শীলা নদ গিয়ে মিশেছে ব্রহ্মপুত্র নদে। শীলা নদের তীর ঘেঁষেই অধিকাংশ ইটভাটা গড়ে উঠেছে। একই এলাকার মধ্যে,
অন্য সব ইটভাটা পুরোদমে চললেও শুধু বিবি ব্রিকস নামের ব্রিকস টি বন্ধ রয়েছে। অবস্থিত ইটভাটা গুলি নদীর তীরবর্তী এলাকায় হওয়ায় তার বিরোপ প্রভাব, কালো ধোঁয়া আশেপাশের কোন স্কুল মাদ্রাসা প্রভাবিত হচ্ছে না।
এসব ইটভাটার মধ্যে কারোই
জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই ।
বিবি ব্রিকস, ইট ভাটার মালিক দাবি জানাই যে সরকারি নিয়ম মেনেই ইটভাটা পরিচালনা করব যেহেতু আমার লাইসেন্স পরিবেশ অধিদপ্তরে ছাড়পত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বর্তমানে আমার ব্রিকসের প্রায় ২০০ শ্রমিক বেকার হয়ে অনাহার অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন সেই দিক লক্ষ্য রেখে প্রশাসনের প্রতি আকূল আবেদন দৃষ্টি গোচর করছি।
আয়নাল ইসলাম/দেশ সময়