
প্রকাশিত,১৯, জুন,২০২১
পিরোজপুর প্রতিনিধি ঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় কুচক্রী মহলের ইন্ধনে মুসলমানদের ইবাদাত খানা মসজিদ ঘর ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে,সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের চালিতা বুনিয়া গ্রামে।
ঘটনা সুত্রে জানাযায় চালিতা বুনিয়া ১৫২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন মৃত মোতাহার আলী হাং এর ছেলে আঃ সোবহান হাওলাদার স্হানীয় আলেম সমাজ ও মুক্তিযোদ্ধা সহ গন্য মান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে ১৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে পশ্চিম চালিতা বুনিয়া মৌজার জেএল নং ২৫ খতিয়ান নং ২২৮ দাগ নং ৪৬৮ এর ৪ শতাংশ কবলা কৃত ভোগ দখলীয় জমি সকলের সামনে লিখিত ওয়াকফ করে দেয়।
উক্ত ওয়াকফ কৃত জমিতে সম্প্রতি এলাকাবাসী মিলে পশ্চিম চালিতা বুনিয়া মোঃ আঃ সোবহান হাওলাদার বাড়ি বাইতুল ফালাহ মসজিদ নামে একখানা মসজিদ ঘর নির্মাণ করে নামাজ আদায় করতে থাকে।
কিন্তু মসজিদ নির্মাণের সময় পাশে একটি দূর্গা মন্দির থাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লেকেরা সমালোচনা শুরু করে। এই সুযোগে অত্র এলাকার কুঃখ্যাত কিলার অলি ডাকাতের কিছু সহযোগীরা মসজিদ টি স্কুল ও রাস্তার পাশে নির্মিত হওয়ায় চাঁদা দাবি করে বলেন যে আমাদের কিছু টাকা দিলে মসজিদ নির্মান করতে কোনো ঝামেলা হবেনা বলে প্রস্তাব দেন,
কিন্ত মসজিদ কর্তৃপক্ষ কোনো রকমের টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় অলি ডাকাত ও তার সহযোগীরা পার্শ্ববর্তী সংখ্যালঘু দুলাল হালদার ও জগদীশ চন্দ্র হালদার কে উস্কানি দিয়ে পাশে একটি মন্দির আছে বলে ও হিন্দু সম্প্রদায় জমি পাবে দাবী করে হিন্দু সম্প্রদায় ও অলী ডাকাতের লোকজন মিলে মসজিদ টি ভেঙে চুরমার করে দেয় এবং উল্টো কিছু সাংবাদিক ভাইদের কে ভুল বুঝিয়ে সংখ্যালঘুদের জমি দখলকরে মসজিদ নির্মাণের পায়তারা শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানে।
এলাকা বাসী এই জগন্যতম কাজের ও মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতি বাদ জানান। এ ব্যাপারে অত্র এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এম সেলিম মিয়া সহ অন্যান্যদের কাছে জানতে চাইলে তাহারা বলেন এ ঘটনায় আমরা ফয়সালা করার জন্য কয়েক বার শালিস বৈঠকের তারিখ দিয়েছি কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায় লোকজন শালিস বৈঠকে উপস্থিত হয়নি।