
প্রকাশিত,৯জানুয়ারি,২০২১
সোহাগ হোসেন বেনাপোল ঃ
যশোরের বেনাপোল ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সানজিদা আক্তার শ্রাবণীর ওপর কথিত সাংবাদিক ও তার সহযোগিদের হামলা, ফেসবুকে আপত্তিকর পোষ্ট দেয়ার প্রতিবাদে এবং বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৯ জানুয়ারী) বেলা ১১টার দিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের বীপরিতে বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে যশোর-কলকাতা মহাসড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। এতে বেনাপোল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা ও স্থানীয়রা অংশ নেয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ খাদিজা আক্তার।তিনি বলেন স্কুল জীবনে শ্রাবনী লেখা পড়া সহ সাংস্কৃতিক চর্চায় মেধাবী ও পারদর্শী ছিলো।তার নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কু রুচিপূর্ন খবর প্রকাশ ও আপত্তিকর বক্তব্যের ভিডিও প্রকাশ ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এ্র কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চেয়ে কোন ক্রমেই শ্রাবনীর শিক্ষা জীবন নষ্ট না হয় তার যথযথ পদক্ষেপ গ্রহনের আহবান জানান তিনি।এ সময় মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক নজরুল ইসলাম,স্থানীয় লাবনী আক্তার সহ প্রমুখ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সহপাঠীরা বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত মূলহোতা মুরাদ সহ তাঁর সহযোগিদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচী ঘোষণা দেয়া হবে বলেও হুশিয়ারী দিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর বেনাপোল পোর্টথানা এলাকায় মাদক সংক্রান্ত বিষয়ের ভিডিও ধারণের অভিযোগ এনে কথিত সাংবাদিক মাদক ব্যাবসায়ী মুরাদ ও তার সহযোগিরা কলেজছাত্রী শ্রাবনীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করে। পরবর্তীতে ওই ছাত্রী ও তার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে করুচিপূর্ণ লেখা পোস্ট দেয় মুরাদ। এ ঘটনায় কলেজ ছাত্রী শ্রাবণী বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। মুরাদ বেনাপোল থানার সাদীপুর গ্রামের আলী আহমেদ নেদার পুত্র। সে বিডিপ্রভাত নামে একটি অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক বলে এলাকায় পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। ঘটনানার ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত গ্রশাসনের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখা যাইনী। মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা শ্রাবনীর ওপর হামলাকারী ও তার সহযোগীতায় ভিডিও ও কুরুচিপূর্ন সংবাদ প্রকাশকারীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।