
প্রকাশিত,০৬, সেপ্টেম্বর,২০২২
হানিফ খান স্টাফ রিপোর্টার ঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা পাগলা থানার মশাখালি ইউনিয়নের মুখী গ্রামের মিসকীন শাহ, মাজার সংলগ্ন দোকানে সাক্ষী সৈয়াদ আকরাম উদ্দিন লিটন,(৬৫) গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২.৩০ মিনিটে চা খেতে দোকানে বসলে, দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে লিটনকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে উদ্যত হলে চা স্টল ও মাজারে থাকা লোকজন ফৌজদারি মামলার আসামি দুষ্ট প্রকৃতির নিজাম উদ্দিন কে আটকে দেয়। এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যায় লিটন ।
সৈয়দ আকরাম উদ্দিন লিটন, এলাকার ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান কে বিষয়টি অবগত করলে চেয়ারম্যান তাকে আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন।
আখতারুজ্জামান লিটন বাদী হয়ে পাগলা থানায় একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন।
অভিযোগসূত্রা জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার, দুপুর বেলায় চায়ের দোকানে চা খেতে যান আকরাম উদ্দিন লিটন, পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা মামলার আসামি, গং ১ নং সাক্ষী আকরাম উদ্দিন কে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে আঘাত করতে গেলে চায়ের দোকানে থাকা ও মাজারের লোকজন নিজাম গং কে আটকিয়ে দিয়ে লিটনকে উদ্ধার করে।
তখন নিজামুদ্দিন গংরা প্রকাশ্যে আকরাম উদ্দিন লিটনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
এ ব্যাপারে আকরাম উদ্দিন, লিটন জানান, নিজামুদ্দিন অতি দুষ্ট ও খারাপ ভূমি দস্য লোক বটে, সে জমির প্রকৃত মালিক জেসমিনকেও প্রানশের হুমকি প্রদান করে।
সে অন্যের জমি জবরদখল করে ভোগ দখল করতে যাওয়ায়, জমির মালিক জেসমিন আক্তার, ময়মনসিংহ বিজ্ঞ আদালতে নিজাম উদ্দিনের নামে ফৌজদারী মামলা করেন। ওই মামলায় আমি আকরাম উদ্দিন লিটন ১নং সাক্ষী।
প্রকৃত জমিনের মালিকের পক্ষে সাক্ষী হওয়ায় আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে, মামলার আসামি নিজাম উদ্দিন গং।
এ ব্যাপারে আমি বাদী হয়ে পাগলা থানায় নিরাপত্তা চেয়ে একটি অভিযোগ দাখিল করেছি।
পাগলা থানা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান, জানান
অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এব্যাপারে নিজামুদ্দিনকে ফোনে যোগাযোগ করলে মোবাইল ফোন সুইচ অফ দেখায়।