
প্রকাশিত,৬ এপ্রিল, ২০২১
মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
পুলিশ প্রশাসনের কড়া নজঁরদারী থাকলেও নড়াইলে চলছে ঢিলেঢালা ভাবে লকডাউন,জনগণ চোঁর পুলিশ খেলা খেলছে পুলিশের সাথে।সারা দেশের ন্যায় নড়াইলে সরকারি লকডাউন চলছে আজ (৬এপ্রিল) দ্বতীয় দিন,পুলিশ প্রশাসন নড়াইল জেলার সকল থানা পর্যায়ে বিট পুলিশিংসহ অলিগলিতে,পাড়া মহল্লায়,হাট বাজারে পুলিশ প্রশাসনের কড়া নির্দেশনায় জনসাধারণ কে করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য থাকতে পুলিশ প্রশাসনের এ সচেতনতা মূলক মাইকিং সহ প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।এদিকে,অসহায় দিনমুজুর খেটে খাওয়া মানুষের মূখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না,কি ভাবে পরিবারের মূখে একমুট খাবার তুলে দিবে,এমন চিন্তা করেই দিন পার করছেন অসহায় অনেক পরিবার।নড়াইল ঘুরে দেখা যায়,নড়াইলের মেইন মেইন মোড়ে সড়কে ট্রাফিক পুলেশের সচেতনতা মূলক প্রচার প্রচারনা করতে দেখা গেলেও কিছু অসহায়দের ইজিভ্যান আটক করে অসহায়দের পেটে দিয়েছেন লাথি।আটক কৃত ইজিভ্যান চালকগণ"রা অভিযোগ করে জানান,আমি সমিতি থেকে লোন নিয়ে ইজিভ্যান কিনে চালিয়ে সংসার চালায়,ভ্যান না চালালে বাড়িতে বাজার যায়না,একদিন অসুস্থ্য হয়ে পড়লে মূখে খাবার ওঠেনা এবং সমিতির কিস্তিও দিতে পারিনা,সংসারে ৬ জন সদস্য নিয়ে কোন রকম দিন আনি দিন খাই ভ্যান চালিয়ে।
হঠাৎ করেই সরকার লকডাউন দিয়েছে আমরা এখন ভ্যান না চালালে খাবো কি,কি করে সন্তানদে পড়ালেখা শিখাবো,কি করে সমিতির টাকা পরিষোধ করবো আমাদের মত গরিবের দিকে কারো কোন খেয়াল নেই।আমরা ভ্যান নিয়ে রাস্তায় চুরিচুরি করে চালিয়ে দুই কেজি চাল নিয়ে বাড়ি যাব কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ আমাদের ভ্যানের হাওয়া ছাড়া সহ ভ্যান আটক করে ট্রাফিক অফিসে জব্দ করছেন ৩০ থেকে ৩৫ টি ইজিভ্যান।
লকডাউনের প্রথম নিনেই ৩০থেকে ৩৫ টি ইজিভ্যান আটক করে আজ (৬এপ্রিল) মঙ্গলবার ভ্যানগুলি ছেড়ে দেন ট্রাফিক অফিসের কর্মকর্তগণ। ট্রাফিক পুলিশ সুত্রে যানা যায়,করোনা ভাইরাস দ্বিতীয় বারে মারান্তক রুপ ধারন করায় নড়াইল জেলা পুলিশের নির্দেশনায় করোনা থেকে জনসাধারণকে সচেতন করতে জেলা পুলিশ সর্বদা প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছে এবং লকডাউনে কোন প্রকার যানবাহন সহ ভ্যান,রিক্সা,ইজিবাইক চলাচল সম্পর্ন নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে এজন্যই আমরা জনসাধারণদের সচেতন করতে বা যার যার বাড়িতে সুস্থ্য রাখতে আমাদের এ অভিযান।ইজি বাইক,ইজিভ্যানে যদি একজন একজন করে জরুরি প্রয়োজনে চলাচল করে তাহলে কোন সমেস্য নায় কিন্তু এমন নিয়মে কেউ চলেনা,একটি ইজিবাইকে ৭ থেকে ৮ জন যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে এবং ইজিভ্যানেও ৪ থেকে ৬ জন যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে নিষেধ করলেও মানছে না,এমন অবস্থায় আমাদের কি করার আছে বলেন,আমরা তো আপনাদের ভালোর জন্যই এ অভিযান পরিচালনা করছি বলেও জানান।