
প্রকাশিত,০৯, সেপ্টেম্বর,২০২৩
স্টাফ রিপোর্টার হানিফ খান ও আশরাফুল আলম মামুন ঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার
চরআলগী ইউয়িনের নয়া পাড়া গ্রামের মুমিন চাষির ৩৬ শতাংশ জমির ধান হাঁস মুরগি দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সহ কেটে গবাদি পশুকে দিয়ে খাওয়ায়ে ফেলেছেন প্রতিপক্ষরা।
হাঁস ও গরু ছাগল দিয়ে জমির ফসল নষ্ট করায়, কৃষাণী,মুমিনের স্ত্রী, মিনি বাধা দিলে প্রতিপক্ষ, শাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী সেলিনা, মুমিনের স্ত্রীকে নিজ বাড়ির উঠানে অনধিকার প্রবেশ পূর্বক দা- লাঠি, ডালপালা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
মুমিনের স্ত্রী মিনির চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন, কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে বাদী মমিন মিয়া বলেন, বিবাদীগণ আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছেন ।
পারিবারিক কলহের জেরে প্রকাশ্যে জমির ফসল নষ্টের হুমকিও দিয়েছিল বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী সেলিনা খুবই খারাপ দুষ্ট ও অসামাজিক প্রকৃতির লোক,
কৃষক মুমিন মিয়া, ফসলি জমি নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকি প্রতিকার চেয়ে গফরগাঁও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সরেজমিনে ধান ক্ষেত ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখা গেছে।
অভিযোগহ সূত্রে জানা গেছে, মোঃ মমিন মিয়া (৩২) পিতা আব্দুর রশিদ চারালগী নয়াপাড়া, গ্রামে শশুর বাড়িতে কৃষি জমি চাষাবাদ ও বর্গা জমি চাষাবাদ করে জীবন যাপন করছেন।
বর্ণিত বিবাদীগণ আমার শ্বশুর গোষ্ঠীর লোক, বিবাদীগণ খারাপ প্রকৃতির লোক অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড করিয়া জীবিকা নির্বাহ করে, ঘটনার পূর্বে বিবাদীগণ দলভুক্ত হইয়া আমিও আমার স্ত্রীকে শশুর বাড়ি হইতে উচ্ছেদ করার জন্য আমার জমির ফসল খাওয়াইয়া নষ্ট সহ নানা ভাবে অত্যাচার করে আসছিল।
চরালগী ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ বলেন,
মুমিনের স্ত্রী মিনিকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে ভর্তির সময় আমি উপস্থিত ছিলাম। তার শরীরে লীলা ফোলা যখন ছিল।
বিষয়টি মীমাংসার জন্য শালিসি বৈঠকের কথা বলা হয়েছে।
ফসলি ধানের জমি ভবিষ্যতে যাতে আর নষ্ট না হয় সে ব্যাপারে বসে সমাধান করা হবে।
তদন্তকারী এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা সত্য পাওয়া গেছে।
তবে তদন্ত চলছে।