
প্রকাশিত,১৪, জুলাই,২০২১
মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইলে স্যালাইনের দাম বেশি নেয়ার প্রতিবাদ করায় আসাদ মোল্যা নামে এক রোগীকে মারধোর করেন, ডাঃসমীর কুমার বিশ্বাস এমন অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি (১২ জুলাই) সোমবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের হাতিরবাগান গোহাটখোলা নতুনবাসষ্ট্যান্ড নামক এলাকায় রাজু স্যানেটারীর সত্তাধীকারী ও ভুক্তোভোগী মো:আসাদ মোল্যা সাংবাদিকদের অভিযোগ করে জানান,গত তিনদিন আগে আমি শারিরীক ভাবে অসুস্থতাবোধ করলে রুপগঞ্জ স্বর্নপট্টি এলাকার বিশ্বাস ফার্মেসীর মালিক ডাঃসমীর কুমার বিশ্বাসের শরনাপন্ন হই।
এসময় ডাক্তার সমীর আমাকে অপসোনিন কোম্পানীর ক্লিনোসল নামের একটি স্যালাইন পুশ করেন,এবং স্যালাইনের এমআরপি (খুচরা মূল্য) ৩৫২ টাকা। স্যালাইন পুশের পর উক্ত স্যালাইনের মূল্য বাবদ ৯শ’টাকা এবং স্যালাইন পুশ করার ফি বাবদ ২শ’ টাকাসহ মোট ১১শ’টাকা দাবী করেন ডাঃসমীর।
রোগী আসাদ মোল্যা সাথে সাথে ডাঃসমীরকে ৫শ’টাকা দেন এবং বাকী টাকা পরবর্তীতে পরিশোধ করবেন বলে জানান।
স্যালাইন গ্রহণের পর আসাদ মোল্যা অন্য ওষধের দোকানে গিয়ে জানতে পারেন পুশ করা স্যালাইনের মূল্য ৩২০টাকা।সোমবার সকাল ১০টার দিকে ডা:সমীর স্যালাইনের বাকী ৬শ’ টাকা আনতে গোহাটখোলার রাজু স্যানেটারীতে গেলে রোগী আসাদ ডাক্তারকে স্যালাইনের সঠিক মূল্য নেয়ার অনুরোধ করেন এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ডা:সমীর প্রথমে ওই রোগী আসাদকে মূখে এলোপাতাড়ী ভাবে ঘুষীসহ মারপিট করেন।
ঘটনার পর আসাদের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বামী কে বাচাঁতে ডাঃসমীরের সাথে ছাড়াতে ধস্তাধস্তি করালে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ডা:সমীর ও রোগী আসাদকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়,পরে দু’পক্ষের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে পুলিশ তাদের দুজনকে ছেড়ে দেই।
রোগী আসাদ আরো জানান,সকালে আমার কাছে টাকা চাইতে আসলে আমি বলেছি ভাই অন্য দোকানে দাম সুনেছি কম আপনি আমার কাছ থেকে ঔষুধের দামটা সঠিক নেন বল্লেই আমাকে ঘুষী মারতে থাকে কেন আমাকে ডাঃসমীর মারধোর করলেন,আমি নড়াইলের মানবিক সাংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্তুজা নড়াইল জেলা প্রশাসন ও নড়াইল জেলা পুলিশের কাছে এর বিচার চাই,ঔষুধের দাম বেসি নিলেন আবার আমাকে মারধোর করলেন এটা কেমন নিয়ম বলেও জানান।এদিকে নাম পরিচয় জানাতে একাধীক ব্যক্তী অভিযোগ করে জানান,ডাঃসমীরের কাছে গেলে রোগীকে দেখে ডাঃসমীর ঔষুধের প্রেসক্রিপশন করে দেন এবং বিশ্বাস ফার্মেসী নামের নিজ দোকান থেকে ঔষুধ দেন।
পরে আবারও একই ঔষুধ অন্য ফার্মেসীতে আনতে গেলে ঔষুধের দাম অনেক কম জানা যায়।ডাঃসমীর রোগীদের থেকে ঔষুধের দাম অনেন অনেক বেসি নেন এজন্য অনেক রোগীর সাথেই তার ঝামেলা হয় বলে বর্তমান ডাঃসমীরের রোগী কম হয়।এ ব্যাপারে ডা:সমীরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,রোগী আসাদকে পুশ করা স্যালাইনের সঠিক মূল্য ধরা হয়েছে,স্যালাইন ও ইন্জেক্সনের দাম মোট ১৩শ টাকা,স্যালাইন ইন্জেক্সন নিতেও আসাদ আমাকে একাধীকবার ঘুরিয়েছে স্যালাইন নেয়ার পরে আমাকে ৫শ টাকা দিয়েছেন।আমি বাকী টাকা চাইতে গেলে এখন না তখোন করে,একপর্যায়ে আসাদের পরিবারের সদস্যরা এসে আমাকে মারধোর করে বলেও জানান।