
প্রকাশিত, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইলের কালিয়ায় নবম শ্রেণিতে পড়ূয়া এক স্কুলছাত্রী কে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ করে প্রেমিক সহ বন্ধুরা।
গত বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) রাতে কালিয়া পৌর এলাকার উথালী গ্রামের একটি বিলে মদ্ধে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্সিতা ঐ স্কুল ছাত্রীকে গভীর রাতে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ধর্ষনের শিকার মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে নিশান,বাপ্পী,নাইম,জাহাঙ্গীর ও সুজার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত দুইজন সহ ৭ জনের নামে ঐ দিন রাতেই কালিয়া থানায় মামলা করেছেন।
পুলিশ রাতেই নিশান (১৭) নামে মূল আসামি এবং অপর সহযোগী বাপ্পী (১৭) কে গ্রেপ্তার করেছে,ধর্ষনকারীদের বাড়ি কালিয়া পৌর এলাকার উথালী গ্রামে।
শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারী) ধর্ষনের শিকার মেয়েটির ফুফু জানান,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে নিশান ফোন করে মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে ফাঁকা জায়গায় গেলে ছয়জন মিলে তাকে ধরে বিলের মধ্যে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে মেয়ে টিকে অচেতন অবস্থায় ফেলে চলে যায়।
ধর্ষনের শিকার মেয়েটির বাবা জানান,সন্ধ্যায় অনেক খোঁজাখুজির পর মেয়েকে না পেয়ে পরে রাত ৮ টার দিকে উথলী বিলের মধ্যে থেকে মেয়েকে উদ্ধার করি,পরে থানায় মামলা করি এবং নড়াইল জেলা পুলিশের কাছে আমি এই সব জানোয়ারদের বিচার চাই।
স্থানীয় উথালী গ্রামের কয়েকজন নারীপুরুষ নাম পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক জানান,এরা কিশোর গ্যাং নিজেরা সারাক্ষন গাজা,ইয়াবা খেয়ে বেড়ায় আর এসব আকাম করে,আমরা এলাকার লোকেরা ভয়ে কিছু বলতে পারি না।
এখন সময় হয়েছে তাই বলছি।
মূল ধর্ষনকারী নিশানের বাবা বাইট ইউসুফ ছেলের এই সব কর্মের কথা জিজ্ঞেস করাতে কেদে ফেলে বলেন, আমার ছেলে অন্যায় করেছে ওর শাস্তি হওয়া উচিত,তিনি অসভ্য ছেলের বিচার চাঁন।
নড়াইল সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা:মশিউর রহমান বাবু বলেন,আনুমানিক রাত একটার দিকে একটি মেয়ে গণধর্ষনের অভিযোগ নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়,তার সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে,প্রতিবেদন পেলে বলা যাবে কি কারন।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামী নাইম সহ আরো দুইজনকে আটক করলেও তাদের গ্রেফতার না করেই ছেড়ে দেবার পায়তারা করছে।
কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেন,মেয়েটি সন্ধ্যায় ছাগল আনতে মাঠে গেলে সেখানে তার পূর্ব পরিচিত নাইম সহ কয়েকজন পালাক্রমে ধর্ষন করে। দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে,বাকিদের গ্রেফতারে প্রক্রিয়া চলছে।