
প্রকাশিত,২৪,মে,২০২১
মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইল জেলা বাসীর বিনোদনের জন্য বহু প্রতীক্ষিত চিত্রা নদীর পাড়ে হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশে ইকো ও প্রজাপতি পার্কের কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৪ একর জায়গার ওপর এই পার্কে জনসাধারণের বসার জন্য ইতোমধ্যে চিত্রা নদীর তীরে বিশ্রামের জন্য একটি সেড,বট গাছের নীচে বসার জন্য কয়েকটি বিশ্রাম বেঞ্চ, চিত্রা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে।
শিশুদের বিনোদনের জন্য দোলনা, স্লিপার।এছাড়া ৩ একর জায়গা নিয়ে প্রজাপতি পার্ক গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু হয়েছে এবং সেটি প্রায় শেষের পথে।এখানে জমিদারদের নির্মিত একটি অপূর্ব স্থাপত্যশিল্পে তৈরী মন্দির ও পুকুর ঘাটও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিন্তু তার কোন সংস্কার এখনো হয়নি।জানা যায়,উনিশ শতকের প্রথম দিকে গড়ে ওঠা হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ির সর্বশেষ জমিদার জিতেন্দনাথ রায়ের পূত্র জমিদার আশুতোষ রায় এবং অজিত রায় নড়াইল পৌরসভার ৫৬নং ব্রাক্ষ্মণডাঙ্গা মৌজার ৫টি দাগে ২৩.৭৬ একর জমির মালিকানা ছেড়ে ১৯৪৭ সালে সপরিবারে ভারতে চলে যান। বর্তমানে এ জমি হাল রেকর্ডে সরকারের ১নং খাস খতিয়ানভূক্ত রয়েছে। নড়াইল শহর থেকে ২ কিঃমিঃ দক্ষিনে এ পার্কের অবস্থান। বর্তমানে এখানে জমিদারদের নির্মিত সর্বশেষ স্মৃতিচিহৃ একটি মন্দির ও সান বাঁধানো পুকুর ঘাট রয়েছে। যা এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এখানে দু’টি পুকুর, শাল, সেগুন, মেহগিনি, আম, কাঠাল, লিচু, নারকেল, সুপারি,জাম্বুরা নানা প্রজাতির পাঁচ শতাধিক গাছ রয়েছে।
শিশুদের জন্য রয়েছে একটি বড় খেলার মাঠ। হরেক প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে থাকে এ এলাকা। এখানকার শোভা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে চিত্রা নদী। পার্ক সংলগ্ন পূর্ব তীরে উত্তর-দক্ষিন দিকে বয়ে চলেছে বহতা চিত্রা নদী। এ পার্কের একটু উত্তর পার্শ্বে এস এম সুলতান সেতু।আরো জানা যায়,এখানে ৩ একর জমির ওপর একটি প্রজাপতি পার্ক করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণি বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর আবুল বাসারের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ টিম পরিদর্শন করেছিলেন।নড়াইলের প্রবীণ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নড়াইল উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি প্রফেসর মুন্সি হাফিজুর রহমান,দীর্ঘদিন পরে হলেও নড়াইলবাসীর দাবি পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন।এখানে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা হয়েছে,যা শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য খুবই জরুরি।এছাড়া শহরের মানুষ কাজের ফাঁকে একটু বিনোদন উপভোগ করতে পারবেন এ পার্কে।এদিকে বিনোদনের জন্য পার্কে বিনোদন পিপাসু"রা আসলেও কিশোরগ্যাং এর লাল চোখের ভয়ে আতংকে পার করে বাকি সময়।পার্কের চারঁপাশ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে দেখতে গেলে কিশোরগ্যাং এর অত্যাচারী অতিষ্ট হয়ে চলে যেতে ব্যাধ্য হয় বিনোদন প্রেমি মানুষ।পার্কের সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,কিশোরগ্যাং এর অত্যাচারে এবং তাদের লালচোঁখের ভয়ে লোকসমাগম ছেড়ে বাইরে যেতে পারছেনা,পার্কে বেড়াতে আসা জনসাধারণ।
নতুন বিবাহ্ করা দম্পতি"রা পার্কে এলে এসব কিশোরগ্যাং মনে করে প্রেমিক-প্রেমিকা এসেছে এজন্য এদের একটু নিলিবিলি যায়গায় পেলেই শুরু হয় অমানুষিক অত্যাচার সহ ভয়ভিতি দেখিয়ে সর্বস্য লুটে নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় তারা,পরে পার্কের আশপাশের লোকজনের কাছে বল্লেও কোন শুরহা হয় না কারন এসব কিশোরগ্যাং পার্কের আসপাশে বসবাস করে বলে ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না।নাম পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তী সাংবাদিক মো:রফিকুল ইসলাম কে জানান,আপনি একটু আম বাগানের পাসে থাকেন দেখেন ছেলেপেলে ঘুরতে আসা লোকজনদের সাথে কি ব্যবহার করে।আমি আমার ওয়াইফ কে নিয়ে আমবাগান দেখতে গেলে ৫-৬ জন ছেলে আমাকে আটক করে বলে আমি মেয়ে নিয়ে ডেটিং করতে এসেছি এবং আমার বৌ যে তার কি প্রমান আছে,এমন জবাবে আমি বল্লাম আমার প্রামান বাড়িতে কিন্ত আমাকে মেরে আমার ওয়াইফের গায়ে হাত দিয়ে তার পার্চের মধ্যে থাকা ৮ হাজার টাকা ও আমার মানি ব্যাগে থাকা ৩ হাজার ৫ শত টাকা নিয়ে চলে যায় এবং হুমকি দিয়ে বলে এ বিষয়ে কাউকে কিছু বল্লে পার্ক থেকে বের হলে গুলি করে মেরে ফেলবো।
এমন হুমকির ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারি নি আপনাকে দেখে এসব বলতে সাহস পেলাম এবং আমরা বাড়ি যাব তার ভাড়া ও নাই আমাদের কাছে।এমন কথার ভিত্তিতে সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম তাদের জাওয়ার জন্য পকেট থেকে ২ শত টাকা দেন।পার্কের চাঁরপাশ ঘুরে দেখা যায়,স্থানীয় ছেলেপেলে পার্কের বাগানের চারঁপাশে ঘুরে ব্যাড়ায় এবং গাঁজাসহ মাদক সেবন করছে ওপেনে এসব দেখে পার্কে আশা ভ্রমন পিপাসু"রা ভয়ে পার্কের চাঁরপাশ দেখতে পারে না।
এবিষয়ে পার্কের আশেপাশের সুশিল সমাজ জেলা প্রশাষনের কাছে এমন নেক্কার জনক ঘটনার বিচার চান এবং এখানে কিছু পুলিশের ব্যবস্থ্য করলে কিশোরগ্যাং ভ্রমন পিপাসুদের সন্মান সহ হেনস্তা করতে পারবে না ও নড়াইল হাটবাড়িয়া পর্জাপতি ইকো পার্কের সন্মান অক্ষন্য থাকবে বলে মনে করেন।
জেলা পুলিশ সহ জেলা প্রশাষনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এমন অনয়তীক কর্মকান্ড যেন ডিসি পার্কে না হয় এবং নড়াইল জেলার নাম,এসএম সুলতানের সন্মান সর্বদা অটল থাকে এমন ব্যবস্থা করবেন বলেও জানান।