

প্রকাশিত
শাহাদাত হোসেন রাসেল
নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সেনবাগে ফসল রক্ষায় কৃষি জমিতে পেতে রাখা বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খাজা মাইনুদ্দিন মানিক (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ গোরকাটা গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত খাজা মাইনুদ্দিন মানিক ওই গ্রামের আলতাফ আলী পণ্ডিত বাড়ির শেখ শফির বড় ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপরে খাওয়া দাওয়া শেষে গবাদিপশুর জন্য ঘাস কাটতে বাড়ি থেকে বের হন মাইনুদ্দিন মানিক। এদিকে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুজি করেও তার সন্ধান পায়নি। তার সাথে থাকা মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করেও কোনো সাঁড়া পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সকালে পাশের বাড়ির এক ব্যাক্তি মাছের ঘের দেখতে যাওয়ার সময় মানিকের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে সেনবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার পথে পাশের বাতাকান্দি এলাকার জাকির হোসেনের ধানক্ষেতে ইঁদুর নিধনের জন্য পেতে রাখা বৈদ্যুতিক ফাঁদের সংস্পর্শে আসেন তিনি। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ধানক্ষেতের ফসল রক্ষায় ইঁদুর মারার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদটি স্থাপন করা হলেও আশপাশের মানুষকে এ বিষয়ে আগে থেকে সতর্ক করা হয়নি। তাঁদের মতে, ফাঁদটি যথাযথভাবে চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতে পারত।
এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কৃষিজমিতে অনিরাপদ বৈদ্যুতিক ফাঁদ ব্যবহার বন্ধ করা এবং ফসল রক্ষায় নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় পুলিশি তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।