
প্রকাশিত,২৭, আগষ্ট,২০২২
মোঃ বাবুল নেত্রকোণা থেকেঃ
নেত্রকোণা জেলার ১০টি উপজেলায় ইউনিয়ন, ওয়ার্ড,মহল্লায় মাদকের সয়লাব। বিভিন্ন বিশ্বতত্ত্ব সূত্রে জানা যায়,বিগত কয়েক বছর ধরে ইয়াবা,গাজা,ডেন্ডি ইনজেকশন জাতীয় নেশা হরদম ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে চলছে। তার মধ্যে সহজ ভাবে বহনকারী ইয়াবাই জেলা-থানা-ইউনিয়ন-ওয়ার্ড ভিক্তিক ভাবেই কেনা-বেচা হচ্ছে।
নেত্রকোণা জেলার পুলিশ প্রতিনিয়ত মাদক সহ মাদক বিক্রেতাকে ধরলেও দমন করা যাচ্ছে না ভয়াল এই মাদক।
গত ৫ দিন যাবত নবাগত এসপি ফয়েজ আহমেদ-এর নির্দেশনায় মাদকের অভিযানে দূর্গাপুর, কলমাকান্দা ও মদন উপজেলায় বিপুল পরিমাণ মদ এবং ইয়াবা সহ মাদক বিক্রেতাকে ধরলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে শক্তিশালী একটা সিন্ডিকেট।
গত মাসে আটপাড়া উপজেলায় বড় একটা ইয়াবার চালান সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে আটপাড়া থানা-পুলিশ কিন্তু সেখানকার সুশীল সমাজের দাবী এর পিছনে বড় একটা সিন্ডিকেট পর্দার আড়ালে রয়ে গেছে। আর সেই সিন্ডিকেট আটপাড়া উপজেলা বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক বেচা-কেনা করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।
মাদক থেকে কিশোর বয়সী ছেলে/মেয়েদের বাচাঁতে গতকাল নেত্রকোণার সাতপাই কেডিসি এলাকায় সাংবাদিক, সুশীল সমাজ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং আন্দোলন গড়ে তুলে।
সেখানকার এলাকাবাসীর দাবী সাতপাই শ্মশান ঘাট,পরিত্যক্ত ট্রেনের বগিতে বহিরাগত যুবক এবং কিশোররা এসে মাদক সেবন করে এবং সেখানেই মাদক হাতের নাগালে পাচ্ছে।
নাম প্রকাশেঅনিচ্ছুক কয়েকজন মাদক সেবনকারী বলেন, ইয়াবা,নিষিদ্ধ ভারতীয় মদ দূর্গাপুর বর্ডার এবং কলমাকান্দা বর্ডার ক্রস করেই জেলার বিভিন্ন থানায় আসে।
কে জড়িত জানতে চাইলে নাম বলতে নারাজ।
নেত্রকোণা জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলার সুশীল সমাজ,রাজনীতিবিদ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সংঙ্গে কথা ক্ষোভের সহিত বলেন, আমাদের চোখের সামনেই কত কিশোর, যুবক এই মরণ-নেশা ইয়াবা আসক্ত হয়ে পরিবারের লোকজনের সংঙ্গে প্রতিনিয়ত ঝগড়া বিবাদ করছে ওরা তার পরিবারকেই মানছে না আমরা কিভাবে বাধা দিব??
সূত্রে আরো জানা যায়,মাদকে আসক্ত হয়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উল্টো জীবনে চলে যাচ্ছে।
জেলার নামধারী স্কুলেও মাদকের সয়লাব যাহা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে বলা হয়েছে।
অনেকের অভিমত পুলিশের পাশাপাশি আমাদেরেও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে না হয় ধীরে ধীরে এর প্রভাব বিস্তার বৃদ্ধি পাবে।
এ প্রসংঙ্গে নেত্রকোণা জেলার নবাগত পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ এর সংঙ্গে কথা হলে তিনি জানান,আমি যোগদানের পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় বিপুল পরিমাণ মাদক এবং মাদক চালানদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি এই অভিযান সর্বদাই চলতে থাকবে।
তিনি আরো জানান, পুলিশের পাশাপাশি আপনাদেরও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে তবেই আমরা সুন্দর সমাজ পাব।