

প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীপ্রধান পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তার লক্ষ্যে বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (তারিখ) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ল্যাপটপের বাটন চেপে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় কয়েকজন নারীর হাতে প্রতীকীভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে বিএনপি জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সরকার গঠনের এক মাসের কম সময়ের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, “আজ আমার ব্যক্তিগতভাবে যেমন আবেগের দিন, তেমনি সরকার ও বিএনপির জন্যও এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী—তাদের ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।”
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি স্থানে এই কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। এই কার্ড ব্যবস্থায় রাজনীতি বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না।
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী নারীপ্রধান পরিবারগুলো মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে।
এই টাকা উপকারভোগীদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি পাঠানো হবে, ফলে তারা ঘরে বসেই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উপকারভোগীদের একজন রাশেদা জানান, কর্মসূচি উদ্বোধনের পরই তার অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে গেছে। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।


















আপনার মতামত লিখুন :