
প্রকাশিত,২৬, আগষ্ট,২০২২
স্টাফ রিপোর্টার/এস,এম,মিঠু
নাটোরের লালপুরে নুডুলস খেতে গিয়ে জিদনী (৩) নামের এক শিশু গলায় সেফটিপিন আটকে গেছে বলে জানা গেছে। এক্স-রে করার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন, শিশুটির বাবা শফিকুল ইসলাম (৩২) এবং চাচাত ভাই হাসান আলী।
বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার বড় বাডকয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার মা জুলেখা বেগম নুডুলস খাওয়ানোর সময় অসাবধানতাবশত শিশুটির গলায় সেফটিপিন আটকে যায়। এসময় শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে সাথে সাথে পার্শ্ববর্তী বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে রাতেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেফটিপিনটি বের করা না গেলেও শিশুটি বর্তমানে কিছুটা সুস্থ রয়েছে।
শিশু জিদনীর ভাই হাসান আলী জানান, নুডুলস খাওয়ানোর সাথে সাথে গলায় কী যেন আটকে যায়। সে তৎক্ষণাৎ বমি ও ক্রমাগত অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে এখানকার চিকিৎসকরা সেফটিপিন বাহির করার মেশিন না থাকায় ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন।
রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট শফিকুল ইসলাম বলেন, আজ (শুক্রবার) সকালে এক্স-রে করানো হয়। এসময় প্রতিবেদনে সেফটিপিন দেখা যায়। শিশুর স্বজনের সাথে কথা বলে জানতে পারি নুডলসের মধ্যেই নাকি ছিল। নুডলস খাওয়ানোর সময় ভুলবশত সেফটিপিন চলে যায়।
বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডাক্তার খালিদ রেজা বলেন, গতকাল রাত ৮টার দিকে ওই শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এরপর গলায় এক্স-রে করানো পর দেখলাম শিশুর গলায় সেফটিপিন আটকে রয়েছে। যেহেতু এখানে এই চিকিৎসার যন্ত্রপাতি নেই। তাই আমি অতি দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই।