
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীদের তৃণমূলের জনমত।
প্রথম পর্ব, ১,
ময়মনঃ ১০ আসনে ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মরহুম ফজলুর রহমান সুলতান বিজয়ী হন। এরপর ১৯৯১,১৯৯৬,২০০১,২০০৮ এবং ২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আওয়ামীলীগের সঙ্গে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।
বর্তমান বিএনপির তৃণমূলের জনমত
এবি সিদ্দিক ২০০১ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হতে পারে নি। বিএনপিতে তাঁর অবদান অপরিসীম। দলের জন্য তাঁর প্রচুর আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
বহু মামলার আসামী হয়ে রাজনৈতিক হয়রানি সহ গফরগাঁও আন্দোলন সংগ্রামে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী বাহিনীর আঘাতে রক্তাক্ত হয়েছেন, গত ১৭,বছর রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন।
তৃণমূলের ওয়ার্ড পর্যায়ে গঠন করা ওয়ার্ড কমিটির নেতাকর্মীরা তাকেই ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে বেশি পছন্দ।
সাধারণ বিএনপি নেতা কর্মী মনে করেন এবি সিদ্দিকুর রহমান মনোনয়ন পেলে এবার এমপি হওয়া কেহ ঠেকাতে পারবেনা। একমাত্র এবি সিদ্দিকুর রহমান এর রয়েছে ইউনিয়ন কমিটি, ওয়ার্ড কমিটি, পৌর কমিটি যা দলকে সুসংগঠিত করতে সক্ষম। দলের নিবেদিত নির্যাতিত কর্মীরা মনে করেন দুঃসময়ের সিদ্দিকুর রহমান আমাদের পাশে ছিলেন,ভবিষ্যতেও আমাদের পাশেই থাকবেন।
তিনি এখন ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।
গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। জোটগত কারণে এ আসনটি এল.ডি.পি'কে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। তবে এ আসনটিতে এলডিবির কোন অস্তিত্বই নেই।