
প্রকাশিত,১৮, জুন,২০২১
মনির হোসেন শাওনঃ
এক্সপ্রেসওয়ে কে সীমিত নিয়ন্ত্রিত অ্যাক্সেস হাইওয়ে হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।ফ্রীওয়ে, এক্সপ্রেসওয়ে, ইন্টারস্টেট ওয়ে গুলো একই বৈশিষ্টের হয়ে থাকে।
ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গার দ্রুতগতির মহাসড়ক বাংলাদেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে।প্রথম ধাপে ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই দৃষ্টিনন্দিত এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়।এই এক্সপ্রেসওয়েটি তৈরি করার উদ্দেশ্য হলো ঢাকা শহর রাজধানীর সাথে খুলনা,বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের কিছু অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অগ্রগতি করে ব্যাবসা বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার জন্যে।
কিন্তু, বর্তমানে এক্সেপ্রেস ওয়েটিকে রেসিং ওয়ে হিসেবে ব্যবহার করছে একবয়সী তরুন-তরুনীরা।সম্পৃতি বিভিন্ন ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে, এর মধ্যে অন্যতম হলো মোটর সাইকেল ও কার দূর্ঘটনা।কলেজ,ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা কার ও বাইকের টপ স্পীড উঠাতে গিয়ে শিকার হয় দূর্ঘটনার, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে।গত এক বছরে ৭৯টি দূর্ঘটনায় ৬৫ জনের মৃত্যু হয় এই এক্সপ্রেসওয়েতে।এর কারণ অনেকেই মনে করেন অনিয়ন্ত্রিত বাইক, কার ড্রাইভ করা ও গতি।তাছাড়া ভ্যান,রিক্সা,অটো উল্টো পথে চলাচল করা।সাধারণত এক্সপ্রেস ওয়ে নয় শুধু,মহাসড়ক গুলোতে ও রিক্সা, ভ্যান চলাচল বিধি নিষেধ রয়েছে।
কিন্তু সেই বিধি নিষেধ না মেনে চলাচল করছে হাইডওয়ের পাশাপাশি এক্সপ্রেসওয়েতে।ফলে দূর্ঘটনার মাত্রা বেড়েই চলেছে দিন দিন।এই বিষয়ে দূত পদক্ষেপ ও সকলের সচেতনতার ভিত্তিতে চলাফেরা করতে করতে হবে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।