
প্রকাশিত, ১১ মার্চ, ২০২১
মো: জহুরুল ইসলাম।
ডিমলা(নীলফামারী)প্রতিনিধি
রংপুর থেকে প্রকাশিত “অপরাধ বিচিত্রা”
অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত ” ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর গং যখন ভূমিদস্যু তখন ডিমলা থানা পুলিশের ভূমিকা” শিরোনামঃ করে গত ৯ মার্চ ২০২১ খ্রি:
যেই সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টিনন্দন হয়।
এতে ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সরকার ও তার ছোটভাই জেলা পরিষদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব সেলিম সরকার লেবু , বাংলা সান সোলার এনার্জি লিমিটেড এর স্থানীয় ল্যান্ড এজেন্ট রবিউল ইসলাম (শুকারু), হাসানুর রহমান,বাংলা সান সোলার এনার্জি লিমিটেড এর ম্যানেজার হুমায়ুন কে ঘিরে যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণীত।
আমরা এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি প্রকাশিত সংবাদটি যে ভিত্তিহীন তার কিছু প্রমান পত্রাদি পেশ করা হল।
জলপাইগুড়ি জেলাধীন নবাব মোশারফ হোসেন খান এর যোগ্য উত্তরসরি ভাতিজা, ভাতিজী, ও নাতী – নাতনীর কাছে এস, এ, ও বি, এস, ভক্ত রেকর্ড করে দেয়।
ওয়ারিশগণের নাম হলো: জিন্নাতুল লায়লা মাহবুবা বেগম গং যাহার এস , এ , খতিয়ান নম্বর- এস এ খতিয়ান ২২/২৩, এস এ খতিয়ান নম্বর- ৯০৩, ২০ ও ৮০। যাহার বি এস খতিয়ান নম্বর – ১৪৮০,১৪৮১,১৪৭৭। খতিয়ানে জিন্নাতুল লায়লা মাহবুবা বেগম গং নামে রয়েছে।
তাদের কাছ থেকে বাংলা সান সোলার এনার্জি লিমিটেড এর পক্ষে প্রতিনিধি মুনাওয়ার মিসবা মিজবা মঈন, অফিস ঠিকানা: ৫৫৮, কাডিপাড়া ৪র্থ ফ্লোর মিরপুর,
ঢাকা – ১২১৬ ক্রয় করেন।
উল্লেখ্য যে, উক্ত জমির পাশে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি মনিরুজ্জামান ও আরুত্তামান গং দের নিকট হইতে ৩৮ একর জমি কোম্পানী ক্রয় করে নেন।
যার এস এ খতিয়ান নং- ২০ ও বি এস খতিয়ান নং- ৩২ নামে রয়েছে।আরো উল্লেখিত যে এলাকার গ্রামবাসীসহ আফতার হোসেন পিতা-মৃত একদিল মামুদ ও আব্দুর রহমান বাচনা পিতা-মৃত খেতাব উদ্দিন সহ আরো এলাকার ৪০-৫০ জন ব্যক্তি কোম্পানীর কাছে জমি হস্তান্তর করেছেন এবং চলমান।
উল্লেখিত যে, কিছু কুচক্র মহল সরকারি বিনিয়োগ কে বাধাগ্রস্ত করার জন্য পায়তারা চালাচ্ছে।
ইতিমধ্যে বাইশ পুকুর মত্রুহারা গ্রামের কোম্পানির ক্রয় কৃত ৬০ একর জমিতে ৫৮ টি পরিবারকে এককালীন পূর্ণবাসন ও স্বাবলম্বী করার মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং পূর্ণবাসন এলাকায় স্কুল, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয় স্থাপন করার জন্য সরকারকে দেওয়া কোম্পানির যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে তা যেন পূরণ করতে না পারে কুচক্রী মহল এরা নানাভাবে কখনো পেপার পত্রিকা, কখনো হুমকি-ধমকি , কখনো মানববন্ধন চালাচ্ছে যাতে সরকারী বিনিয়োগ বাধা, ক্ষতিগ্রস্ত ও হুমকির মুখে পড়ে।
৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে নীলফামারী জেলাধীন সাধারণ জনসাধারণ ও সরকারি বিনিয়োগ সুফল পাবে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অঙ্গীকার পূরণের সাথে স্বপ্ন পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।
এত সত্যতা থাকার পরেও সংবাদটি যে ভিত্তিহীন আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। যাতে ভবিষ্যৎ সরকার ও কোম্পানীর ভাবমূর্তি নষ্ট না করতে পারে। ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।