

প্রকাশিত
জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নারী শিক্ষার্থীদের প্রজনন স্বাস্থ্য ও জীবন দক্ষতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র হল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের একটি কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গ্রিনভয়েস শাখা ও বহ্নিশিখার সমন্বয়ে এবং জকসু অপরাজিতার অগ্রযাত্রা হল সংসদের সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক আর্নিকা আরাফাতের উদ্যোগে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসচেতনতা, সুস্থ জীবনযাপন ও জীবন দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. ঈশিতা বিশ্বাস, মেডিসিন স্পেশালিস্ট, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও কনসালটেন্ট, আজগর আলী হাসপাতাল। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সুস্থ জীবনযাপনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
কর্মশালার অংশ হিসেবে ‘Yoga for Women’ সেশন পরিচালনা করেন যোগা স্পেশালিস্ট বৈশাখী মুখার্জী। সেশনে নারীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা ও অনুশীলন করানো হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রীনভয়েস কেন্দ্রীয় শাখার সদস্য ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির এবং ছাত্রদল হল কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রিমি।
আয়োজক আর্নিকা আরাফাত বলেন, “জকসু নির্বাচনে যারা আমাকে দায়িত্বশীল মনে করে ভোট দিয়েছেন, তাদের সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এটি আমার দ্বিতীয় উদ্যোগ। সামনে শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক আরও উদ্যোগ গ্রহণ করব। আমি সাংগঠনিক মানুষ। পরিবেশ ও সমাজকল্যাণমূলক কাজ শুধু দায়িত্বের জায়গা থেকে নয়, আবেগের জায়গা থেকেও করি।”
গ্রীনভয়েস কেন্দ্রীয় শাখার সদস্য ও বাপার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, “নারী স্বাস্থ্যকে খরচ নয়, বরং বিনিয়োগ হিসেবে দেখে বহ্নিশিখা।” তিনি নারী স্বাস্থ্য ও সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে এ ধরনের উদ্যোগকে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন।
কর্মশালায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং সুস্থ ও সচেতন জীবনযাপনে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।