গোপালগঞ্জে ভোররাতে পুলিশের অভিযানে ৬৯০ পিস ইয়াবাসহ কিশোর মাদক কারবারি আটক।।


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২৬-০২-২২, ১:৫১ অপরাহ্ন /
গোপালগঞ্জে ভোররাতে পুলিশের অভিযানে ৬৯০ পিস ইয়াবাসহ কিশোর মাদক কারবারি আটক।।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে চলমান কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে ভোররাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক কিশোর মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ওই কিশোর আইন সংঘাতে জড়িত শিশু হিসেবে চিহ্নিত।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ সদর থানার সাধারণ ডায়েরী নং–৯৩০ (তারিখ: ২০/০২/২০২৬ খ্রি.)-এর ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল কার্যক্রম চলাকালে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সূত্রে সংবাদ পাওয়া যায় যে, পুলিশ লাইন্স মোড় ট্রাফিক বক্সের বাম পাশে পাকা রাস্তার ওপর এক ব্যক্তি অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই করে তাৎক্ষণিকভাবে অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে ভোর আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে পুলিশের একটি চৌকস দল ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় তাকে দ্রুত আটক করা হয়।

পরে উপস্থিত স্থানীয় সাক্ষীদের সামনে পর্যাপ্ত আলোতে আটককৃত কিশোরের দেহ তল্লাশি চালিয়ে তার পরিহিত জ্যাকেটের বাম পাশের বুক পকেট থেকে ৪টি স্বচ্ছ পলিজিপারে মোড়ানো মোট ৬৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন আনুমানিক ৬৯ গ্রাম এবং বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে যথাযথ জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।

আটককৃত কিশোরের নাম রিফাত শেখ (১৭)। সে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার চাপাইল গ্রামের বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন ধরে গোপালগঞ্জ সদর থানা এলাকায় বিভিন্ন উৎস থেকে মাদক সংগ্রহ করে ইয়াবা বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে।

এ ঘটনায় আটককৃত কিশোরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার টেবিল ১০(ক) অনুযায়ী নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আগামীতেও আরও জোরদার করা হবে এবং সমাজ ধ্বংসকারী এই অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।