গোপালগঞ্জে ক্লিনিকের বর্জ্যে দুর্গন্ধ: গণ-আবেদনের পর পৌরসভার অভিযান, খালে বর্জ্য ফেলার পাইপ বন্ধ।


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২৬-০৩-০৯, ১১:৫৯ অপরাহ্ন /
গোপালগঞ্জে ক্লিনিকের বর্জ্যে দুর্গন্ধ: গণ-আবেদনের পর পৌরসভার অভিযান, খালে বর্জ্য ফেলার পাইপ বন্ধ।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জ পৌরসভার পাঁচুড়িয়া এলাকায় অবস্থিত জননী সার্জিক্যাল ক্লিনিকের মালিক ডা. সুব্রত হালদারের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় কয়েকশ বাসিন্দা পৌর প্রশাসকের কাছে গণ-আবেদন করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, ক্লিনিকের বর্জ্য ও সেফটি ট্যাংকির ময়লা সরাসরি খালে ফেলার কারণে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, যা স্থানীয়দের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একদল সাংবাদিক বিষয়টি গোপালগঞ্জ পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর আজাদুর রহমান-কে অবগত করেন। পরে সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে সেনেটারি ইন্সপেক্টর আজাদুর রহমানের নেতৃত্বে পৌরসভার একটি দল ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শনে যায়।
পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, ক্লিনিকের সেফটি ট্যাংকি থেকে একটি পাইপ সরাসরি পাশের খালে সংযুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ময়লা পানি খালে পড়ছিল। এতে খালের পানি দূষিত হয়ে আশপাশের এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল।
এ সময় পৌরসভার দল তাৎক্ষণিকভাবে ওই পাইপের মুখ বন্ধ করে দেয়,ও এক সপ্তাহ সময়ের মধ্যে পৌরসভার বিধি-নিষেধ মেনে বিকল্প ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দেয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিবেশ দূষণমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় তারা ভুগছিলেন। দুর্গন্ধের কারণে আশপাশের মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা দ্রুত স্থায়ী সমাধান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর আজাদুর রহমান বলেন, “সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ক্লিনিক থেকে সেফটি ট্যাংকির ময়লা সরাসরি খালে ফেলা হচ্ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে পাইপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ দূষণের বিষয়ে পৌরসভা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিবেশ দূষণ আর না ঘটে সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।