
প্রকাশিত
গলাচিপা (পটুয়াখালী ) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্বপ্ন ভেঙ্গে যাচ্ছে রাহিমা বেগমের। রাহিমা বেগম (৫০) হচ্ছেন উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের গ্রামর্দ্দন গ্রামে ৯নং ওয়ার্ডের জেলে জামাল ফকিরের স্ত্রী। দীর্ঘ ১ বছর সুখের সংসার আজ ভাংগার পথে, সুখ যেন ধরা দিয়েও ছেরে যাচ্ছে।
কান্না কন্ঠে রাহিমা বেগম এ কথা গুলো অফিস পাড়ায় বলছে। এ বিষয়ে রাহিমা বেগম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারী ভাবে গ্রামর্দ্দন গ্রামে আমরা একটি ঘর পাই ঘরটি পেয়ে স্বামী সন্তান নিয়ে সুন্দর ভাবে জীবন চালিয়ে আসছি, হটাৎ করে আমাদেরকে একদল লোক গিয়া বলে এই ঘর অন্য মানুষের আপনারা ঘর থেকে নেমে যান।
শুনেরই কান্নায় ভেংগে পরি।তিনি আরো বলেন দীর্ঘ দুই বছর আগে বরিশালের চন্দ্রমোহনে আমরা থাকতাম নদীতে আমাদের ঘর বাড়ী ভেংগে যাওয়ায় লোঞ্চে করে উলানিয়া আসি, উলানিয়া এসে ভিক্কা করে চলে আমাদের জীবন আমার স্বামী একজন জেলে গ্রামর্দ্দন গ্রামে একজনার সাথে আমার স্বামী মাছ স্বীকারে যায় তার পর থেকে আমর গ্রামর্দ্দনে থাকি। আমাদের এখন শেষ ভরসা এই ঘরটি। যদি এখান থেকে আমাদের নামতে হয় তাহলে আমরা পথে বসে যাব, বলে তিনি কান্নায় ভেংগে পরেন। এ বিষয় তার স্বামী জামাল ফকির (৬০) বলেন, ঘরটি পেয়ে সুখের ছোয়া পেয়েছি, যদি এই ঘরটি থেকে দুরে কোথায় যেতে হয় তাহলে মৃত্যু ছাড়া আমাদের আর কিছুই থাকবে না।
আমি একজন জেলে মানুষ মানুষের সাথে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। ৯নং ওয়ার্ডের ইউ/পি সদস্য জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন আসলেই রাহিমা বেগম ওজামাল ফকির গরিব মানুষ মানবতার জীবন যাপন করছে। সরকারি ঘর তাদের জন্যই এই ঘরটিতে তকে তারা সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করছে। ইউ/পি চেয়ারম্যান গোলাম মস্তফা খান বলেন, তারা আছে এই ঘরেই থাকুক বিষয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি দেখব।