
প্রকাশিত
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
চালকের অসাবধানতায় পটুয়াখালীর গলাচিপায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইলেকট্রিক মোটরচালিত ফুচকা ও ঝালমুড়ির একটি গাড়ি পাশের পুকুরে পড়ে গেছে। এ সময় গাড়িটির কাছে থাকা পাঁচ শিশুশিক্ষার্থীও পুকুরে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার সকালে গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়াডের হাস পাতাল রোডে উপল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটন ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের সামনে প্রতিদিনের মতো ফুচকা ও ঝালমুড়ি বিক্রি করছিলেন এক বিক্রেতা। এ সময় গাড়িটি চালু থাকা অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে যায়। গাড়িটির কাছে ফুচকা ও ঝালমুড়ি কিনতে আসা পাঁচ শিশুশিক্ষার্থীও পুকুরে পড়ে যায়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে শিশুদের পুকুর থেকে উদ্ধার করেন। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কয়েকজন শিশু অসুস্থ বোধ করে এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে তাদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে গলাচিপা উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তাঁরা পুকুরে পড়ে যাওয়া ফুচকা ও ঝালমুড়ির গাড়িটি উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সামনে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎচালিত যানবাহন ও ভ্রাম্যমাণ দোকান পরিচালনায় অসাবধানতা এবং রাস্তার পাশে যত্রতত্র গাড়ি দাঁড় করানোর কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ভ্রাম্যমাণ খাবারের গাড়ি রাখার জন্য নিরাপদ স্থান নির্ধারণ, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং চালকদের সতর্কতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় সামান্য অসাবধানতা থেকেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।