
প্রকাশিত
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ বাবা রহিম ফকির ( ৬০) ছেলে বাইজিত ফকির (২২) মারধর করার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতি বার (১৬ জুলাই ) রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে নিজ বাড়িতে গোলখালী ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়াডের পূর্ব গোলখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও আহত পরিবার জানায়, প্রায় ১বছর আগে নুরু ফকির, মোন্নাত ফকির, ইব্রাহিম ফকির, ইমরান ফকিরদের সাথে রহিম ফকিরের জমি বিক্রির বাবদ বায়না ৫০ হাজার টাকা দেয়।
সেই টাকা পাওনা ছিল রহিম ফকিরের। রহিম ফকির পাওনা টাকা নুরু ফকির গং কাছে চাইতে গেলে বাবা ছেলেকে মারধর করে।
পরিবারের অভিযোগ, রহিম ফকির ও বাইজিত ফকিরকে মারধর করা হয়। হামলাকারীরা তাদেরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎস ডাক্তার মো.ইমরান বলেন, আমার চিকিৎসাধীনে রহিম ফকির ও বাইজিত ফকির তৃতীয় তলায় ৪ ও ৫ ভর্তি আছে। বাইজিত ফকির ডান হাত ভেঙে যায়। রহিম ফকিরের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুল যখন রয়েছে। আহত রহিম ফকির বলেন, পাওনা টাকা চাওয়া আমাকে ও আমার ছেলেকে আমাদের একই বাড়ির নুরু ফকির, মুন্নাত ফকির, ইব্রাহিম ফকির, ইমরান ফকির এরা একত্রিত হয়ে আমাদেরকে মারধর করে।
আমাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এসে পড়লে কিরে পালিয়ে যায়। পরের তারা আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত বাইজিদ ফকির বলেন, আমার বাবাকে মারধর করায় আমি তাকে ছারাতে গেলে আমাকেও মারধর করে এতে আমার একটি হাত ভেঙে যায়। আহত রহিম ফকিরের ভাই সোবাহান ফকির বলেন, আমার ভাইকে ডেকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত রহিম ফকিরের মেয়ে সুমা আক্তার বলেন, পাওনা টাকা চাওয়া আমার বাবা ও আমার ভাইকে মারধর করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই। রহিম ফকিরের স্ত্রী মোসাম্মৎ মিনারা বেগম বলেন,আমার স্বামীকে ও আমার ছেলেকে যারা মেরেছে আমি আইনের মাধ্যমে তাদের বিচার চাই। প্রতিপক্ষ নুরু ফকির গং এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইউপি সদস্য বাবুল হালদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ বলেন, দুপক্ষেকে ইউনিয়ন পরিষদের ডেকে মীমাংসার ব্যবস্থা করব।
গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।