
প্রকাশিত
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
জাল জালিয়াতি পূর্বক পূর্বপুরুষ ও অভিভাবকদের জমি নেয়ার অভিযোগ আনেন জলিল মৃধা। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়াডের মৃধা বাড়ির জলিল মৃধা। জলিল মৃধা হচ্ছেন জবেদ আলি নাতি ও আব্দুল আলি মৃধার ছেলে। জলিল মৃধা (৫০) বলেন, আমি গরিব মানুষ ভিক্ষা করে সংসার চালায় । এলাকায় আমার বাপ-দাদা মোট জমির পরিমাণ হলো ১২ একর ৮৭শতাংশ। এই জমির ওয়ারিশ হলেন- জলিল মৃধা । উক্ত জমি জাল জালিয়াতি পূর্বক নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে- কবির হাওলাদার,আলাউদ্দিন হাওলাদার, রেজাউল হাওলাদার ও মস্তফা হাওলাদার। উক্ত ঘটনায় জলিল মৃধা বাদী হয়ে আইনজীবী সাইদুল রহমান মাধ্যমে ৮ জনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে এনে প্রায় ২ বছর আগে পটুয়াখালীর সিনিয়র চিফু জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। এ বিষয়ে জলিল মৃধার স্ত্রী জাহানারা বেগম বলেন, কাটাখালি বাজারে প্রত্যেকটা চায়ের দোকানে পানি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার স্বামী ভিক্ষা করে। আমরা গরিব মানুষ। আমার শ্বশুরের সম্পত্তি রয়েছে। আমরা গরীব বিদায়। প্রভাবশালীরা জোর করে খাচ্ছে। মৌজা রতনদি তালতলী, খতিয়ান ২৯৭, জেল নং ১০২, দাগ নং৫৩১,৫৩২,৫৩৩,৫৩৪,৫৪১,৫৪৩ সহ আরও দাগ নাম্বার রয়েছে। এ বিষয়ে একই এলাকার ইয়াসিন রারি বলেন, ওর শশুরের নামে অনেক সম্পত্তি রয়েছে। অর্থের অভাবে প্রভাবশালীরে খাচ্ছে। ওরা মানুষের বাড়িতে বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। একই এলাকার শিরিন বেগম বলেন, জাহানারা বেগম ও জলিল মৃধা কাটাখালী বাজারে চায়ের দোকানগুলোতে পানি টেনে জীবিকা নির্বাহ করে। প্রতিপক্ষ কবির হাং ও আলাউদ্দিন হাং এর কাছে মুঠোফোন জানতে চাইলে তাদের ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইউপি সদস্য, হাফিজুর রহমান বলেন,আসলেই জলিল মৃধা গং গরীব মানুষ। কাটাখালি বাজারে চায়ের দোকানে পানিকাজি দিয়ে চলে।তাদের অনেক জমি ছিল। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মস্তফা খান বলেন, দুই পক্ষকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিমাসার ব্যবস্থা করব। সাংবাদিকদের প্রশ্ন উত্তরে বলেন, জমি জাল জালিয়াতির বিষয়টিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনার পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ন্যায্য বিচারের দাবি জানিয়েছেন।