

প্রকাশিত
আয়নাল ইসলাম।
পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌরসভায় ৪৫টি ডাস্টবিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, বাজার ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় এসব ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় গফরগাঁও পৌরসভা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডাস্টবিন বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানের নির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতায় গফরগাঁও পৌরসভার উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গফরগাঁও পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ,
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ ছাড়া পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, মোহাম্মদ আরিফ আকন্দ,
পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী, মিজানুর রহমান।
গফরগাঁও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থী শাহ আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক গফুর হাসানসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, “পৌর এলাকার স্কুল, কলেজ, মসজিদ, বাজার ও জনবহুল স্থানসমূহে এসব ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে। আমাদের লক্ষ্য একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব গফরগাঁও পৌরসভা গড়ে তোলা। নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।”
তিনি আরও জানান, পৌর এলাকার যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা ও অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম নিশ্চিত করা গেলে পৌর এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং নাগরিকরা একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবেন
পৌর কর্তৃপক্ষের আশা, নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতার মাধ্যমে গফরগাঁও পৌরসভা একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরীতে পরিণত হবে।