
প্রকাশিত, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২২১
বায়েজিদ ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ্
শুভ জন্মদিন ময়মনসিংহের ছেলে
১৯৮৬ সনের এই দিনে (৪ ই ফেব্রুয়ারী) অলিখিত এক ইতিহাস সৃষ্টির নিমিত্তে এই পৃথিবীতে এসেছিলেন আপনি।
সেদিন ওবায়েদুল্লাহ ও আরাফাত বেগম দম্পতির কোল আলোকিত করে আসা ময়মনসিংহের টাইগার আজ ১৬ কোটির ভরসা,আশার মূর্ত প্রতীক।
অনেকটা আড়াল থেকেই অনেকখানি, হ্যাঁ অনেক অনেকখানি অবদান ও সুযোগ থাকা সত্বেও নিজের আগে দেশ ও দলকে প্রধান্য দিয়ে নিজেকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন সেখানটাতে অন্যদের কেউ কখনোই পৌঁছাতে পারবেনা।
বড় অবদানেও ছোট কিংবা নেই স্বীকৃতির বিপরীতে অভিযোগ না তোলা এক ধর্মপ্রাণ খেলোয়াড় ও মানুষ আপনি।আপনার মত অবস্থানে থেকেও নিজের মধ্যে এই অনুকরণীয় ইতিবাচক নিজস্বতাকে চলমান রাখা হয়নি অন্য অনেকেরই। এখানেই আপনি ব্যতিক্রম।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের পঞ্চপান্ডবের মাঝে অন্যতম একজন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। যিনি দীর্ঘ ১১ বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অতি যত্নে আগলে রেখেছেন।
মোহাম্মদ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (জন্ম: ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬) ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণকারী একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সিনিয়র সদস্য তিনি। রিয়াদ অল-রাউন্ডার, কার্যকরী মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এবং অকেশনাল অফ স্পিন বোলার হিসেবে দলে খেলছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ টেস্ট দলে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
যেভাবে আসলেন ক্রিকেটে :
ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি দারুণ ভালোবাসা ছিল মাহমুদউল্লাহর,
ঘরোয়া ক্রিকেটে মাহমুদউল্লাহ : ঘরোয়া ক্রিকেটে মাহমুদউল্লাহর অনুপ্রবেশ ঘটে ২০০৪/২০০৫ সালের দিকে। সে বছর তিনি এক মৌসুমে ক্যারিয়ার সেরা ৭১০ রান করতে সক্ষম হন। প্রতি ম্যাচে রান তোলার গড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো (৫৪.৬)। তার এই পারফর্মেন্সে বিসিবির নজর কাড়েন তিনি। আর এজন্যই একই বছর অর্থাৎ ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেকও হয়ে যায় এই অলরাউন্ডারের।
মাহমুদুল্লাহর যত রেকর্ড :
২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহর ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্য। সেবার তার মোট সংগ্রহ ছিল, ৩৬৫ রান। সেখানে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে টানা দুটি সেঞ্চুরি করেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে সেবার মাত্র ছয় ম্যাচ খেলে ৭৩.০০ গড়ে ৩৬৫ রান করেছিলেন তিনি।