
প্রকাশিত,২৩,মে,২০২১
কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান সরদারের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। প্রতিবাদ সমাবেশে হামলাকারীদের দ্রুত আটক করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন প্রতিবাদকারীরা।
গতকাল বিকেলে খোশবাস বাজারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে খোশবাস উচ্চ বিদ্যালয় কলেজ মাঠে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা তমিজউদ্দীন ভূইঁয়ার সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ বায়জিদ রাসেল সর্দারে সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউপি মেম্বার মোঃ আনোয়ার হোসেন, আবুল বাসার, সুমন হোসেন, সফিকুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা তোফায়েল হোসেন, আনোয়ার হোসেন আর্মি, খোরশেদ আলম, মোঃ সফিউল্লাহ, রফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা সেলিম জাহাঙ্গীর, খোরশেদ আলম, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মিঠুন, সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা রোপন নিলয়, রুবেল হোসেন, মোঃ লিটন, গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অবিলম্বে সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অত্যন্ত ভাল মানুষ। সে কোন দুর্নীতি করেনা বিধায় তাকে হত্যা করে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা তার কাছ থেকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছিনিয়ে নিতে চাচ্ছে। তাকে হত্যা করে খোশবাস ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চাচ্ছে। তারই প্রেক্ষিতে বরুড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফরহাদ হোসেনের ভাই শীর্ষ সন্ত্রাসী ফয়সাল এবং তাদের গ্যাংদের নিয়ে চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান সরদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়।
ফয়সাল নিজে দা দিয়ে চেয়ারম্যানের মাথায় কুপিয়ে জখম করেছে এবং মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। সাথে থাকা দুই সহযোগী কিবরিয়া ও আকবরকেও মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। সমাবেশে প্রত্যক্ষদর্শী কিবরিয়া ও আকবর ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করেন। মানববন্ধন শেষে ৭২ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান প্রতিবাদকারীরা।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কুমিল্লা মহানগরীর রেইসকোর্স এলাকায় হামলার শিকার হন বরুড়া উপজেলার খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান সরদার। এসময় তার মাথায় গুরুতর জখম হয়। আহতবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।