প্রকাশিত,১৫ এপ্রিল, ২০২১
বিশেষ প্রতিনিধিঃ-
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে ৮ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউনে চলাচলে বিধি-নিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে থাকবে সিভিল প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আর তা তদারকি করবেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। সংক্রমণ আইন অনুযায়ী এজন্য জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ সুপারদের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।গতসোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
লকডাউনের ৮ দিন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে গণপরিবহন। তবে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান-সংস্থা খোলা রয়েছে। খোলা রয়েছে শিল্প-কারখানা। সীমিত পরিসরে দেয়া হচ্ছে ব্যাংকিং সেবা।ঈশ্বরদী বাজারে মুদি দোকান ও কাঁচা বাজার সকাল থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকলে ও কাপড়,কসমেটিক,শো-রুম, কনফেকশনারি সহ সকল দোকান ই ছিল বন্ধ।
সূত্রমতে পাওয়া তথ্য নিয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা য়ায় উপজেলা রোড এ অবস্থিত বৌ বাজার সেখানে অসংখ্য কাপড় ও মুদি দোকান আছে।
প্রতিদিন এর নেয় কঠোর লকডাউন এর প্রথম - ২য় দিন ও একই চিএ লক্ষ করা যায়।
বিসমিল্লাহ কাপড় ঘর প্রোঃ শাওন,কুদ্দুস কাপড় ঘর প্রোঃ কুদ্দুস, টুশি- খুশি ভ্যারাইটিজ কালেকশন প্রোঃ ফারুক হোসেন, তুহিন কাপড় ঘর প্রোঃ তুহিন, সাগরির কাপড় + মুদি দোকান,মায়ার মা এর কাপড় + মুদি দোকান খোলা দেখা যায় প্রতিবেদন লিখার আগ পর্যন্ত।এই বাজারে প্রশাসন এর কোন তৎপরতা দেখা যায় নাই।শুধু এই এরিয়া নয় উপজেলা সড়ক, বৌ বাজার, আমবাগান একই অবস্থা।এই সব এলাকার সচেতন কিছু মনুষ এর সাথে কথা বলা হলে তারা বলেন আপনারা লিখে কি লাভ? প্রশাসন কে অভিযোগ দিয়ে লাভ নেই! পুলিশ আসবে এসে বলবে আমাদের ফোন করেছে এখান থেকে তাই আমরা আসলাম।তারা চলে যাবার পর পরই শুরু হয় চেচা মেচি গালাগালি একাধিক সচেতন এলাকাবাসী বলেন এদের জন্য প্রশাসন কেন দূর্বল?জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন কঠোর বিধিনিষেধ মানাতে মাঠে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঈশ্বরদী শহর পাবনা জেলয় অবস্থিত একটি থানা শহর হলেও অতি গুরুত্বপূর্ণ এই থানায় ইপিজেড,রুপপুর পারমাণবিক প্রকল্প নির্মান এর জন্য হাজার হাজার বিদেশি নাগরিক এর অবস্থান এই শহরে।নানা ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই শহরে মহামারী করোনা কোভিড১৯ মোকাবিলায় চোখে পরার মতো কোন পদক্ষেপই চোখে পরার মতো নেই।সচেতন মহল এর দাবি এখনি এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ভায়াবহ প্রাণ হনি ঘটতে পারে এই থানা শহরে।