প্রকাশিত,০৮, অক্টোবর,২০২১
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
আজমিরীগঞ্জে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মাঠ সহকারী রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায়,২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারীতে মাঠ সহকারী হিসেবে উপজেলার শিবপাশায় যোগদান করেন রুবেল মিয়া।দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে তার নিয়মিত সমিতিতে(শিবপাশা)অবহেলাসহ সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে চলে বলে কৌশলে ঋণ গ্রহীতাদের কাছ থেকে ঋণের সুদে আসলে টাকা নিলেও রশিদ দেন নি শিবপাশা আবাআখা সমিতির কোন সদস্যের।
যার লিখিত অভিযোগ চলতি বছরের ২৭-জুন দেয়া হয়েছে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মতিউর রহমান'র বরাবর।
অভিযোগে বলা হয়েছে,একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ৫নং শিবপাশার আবাআখা সমিতির সদস্য আলম উল্লাহ ২০১৪ সালে সমিতি থেকে ১০'হাজার টাকা ঋণ নিলেও ১ বছরের মাতায় দায়িত্বরত রুবেল সুদে আসলে টাকা নিয়ে রশিদ না দিয়েই ঋণমুক্ত করে দেয়। রুশেনা আক্তারের কাছে ১৫'হাজার ঋণের ২১'হাজার টাকা নিয়ে রশিদ দেই দিচ্ছি বলে এখনো দেয় নি,৮নং ওয়ার্ডের সদস্য আয়েশা,আছিয়া খাতুন,আউলিয়া খাতুন'র কাছ থেকে ঘরবাড়ি পাইয়ে দিবে বলে ৫'শত করে টাকা নেয়া ও ৩'হাজার টাকা করে সঞ্চয় নিলেও কোন রশিদ দেয় নি।ইউপি সদস্য সুজেলা বানুর ১৩'হাজার ঋনের ২'হাজার ৫'শত কিস্তি নিলেও রশিদ দেয়নি।আব্বাস মিয়ার ১৫'হাজার ঋন আসলেও ১০'হাজার টাকা ঋণসহ গ্যাসের চুলা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মোতাহের মিয়া, সেফুল খাতুন,ছানু বিবি,মহরম আলী,ও জ্যোৎস্না বেগমের কাছ থেকে ২'শত করে টাকা নেওয়া হয়।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের নামে মানুষের প্রতি বিরুপ প্রভাব সৃষ্টিকারী রুবেল মিয়ার এমন দুর্নীতির খবর পেয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক শাখার ব্যাবস্থাপক সুরঞ্জিত বৈধ্য চলতি বছরের ৩০শে মে তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা মতিউর রহমান'র বরাবর মাঠ সহকারী রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা গ্রহণের আবেদন করলে মতিউর রহমান খান প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে ৬-মে কেন্দ্রীয় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর সুপারিশ প্রেরণ করলেও অদ্যবধি পর্যন্ত কোন নোটিশ আসে নি।
এবিষয়ে জানতে রুবেল মিয়ার মুঠোফোনে কথা বললে সে জানায়, এ বিষয়ে আমি জানি না কিছু আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে। তৎকালীন ইউএনও বরাবর অভিযোগ যাওয়ার বিষয়ে বললে সে বলে তাঁর সাথে আমার ভেজাল হওয়াতে এমন হয়েছে।পরবর্তীতে তা মিটমাট হইছে।বর্তমানে অডিট চলছে।
এব্যপারে জানতে নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা সালেহা সুমি'র মুঠোফোনে কথা বললে, তিঁনি বলেন আমি বিষয়টি দেখছি।