রক্তে কেনা ভাষায় হিন্দুত্ববাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দিতে হবে: ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর।


deshsomoy প্রকাশের সময় : ২০২৪-০২-২১, ১০:৫৬ অপরাহ্ন /
রক্তে কেনা ভাষায় হিন্দুত্ববাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দিতে হবে: ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২১, ফেব্রুয়ারি,২০২৪

মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন ১৯৫২ সালে রফিক সালাম বরকতদের রক্তে কেনা বাংলাভাষা আজ সাংবিধানিকভাবে উপেক্ষিত।
রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বত্র বাংলাভাষার ব্যবহারের আইন হলেও আইনবিভাগ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাংলাভাষার ব্যবহার অফিসিয়ালী অবহেলিত। ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারীদের প্রতি এই দায় আমরা কোনভাবেই এড়াতে পরিনা।
বাংলাভাষার উপর ভর করে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দিতে হবে। জাতিসত্তা বিরোধী এই শিক্ষা কারিকুলাম অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মশিউর রহমান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা মুহাম্মাদ আরিফুল ইসলাম, মুফতী ফরিদুল ইসলাম,
মুফতি মাছউদুর রহমান, ডাক্তার মুজিবুর রহমান, মুফতী সিরাজুল ইসলাম, মুফতি নিজামউদ্দিন, মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার অবঃ আলহাজ্ব আমিনুল হক তালুকদার, ইন্জিনিয়ার মুহাম্মাদ গিয়াস উদ্দিন পরশ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন,
ভাষা শহীদদের নামে প্রমাণিত হয় তারা সবাই ছিলেন মুসলিম। ভাষার জন্য তাদের এই ত্যাগকে আমাদের বহন করে নিতে হবে।
সভাপতি’র বক্তব্যে নগর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, দেশে দিনদিন বাংলাভাষার বিকৃত ঘটাচ্ছে একদল রেডিও জকি ও কিছু ডিস ক্যাবল নেটওয়ার্ক প্রোভাইডাররা। তারা পাশের রাষ্ট্র থেকে হিন্দি সিরিয়াল আমদানী করে দেশে হিন্দুয়ানি সাংস্কৃতির নোংরা প্রভাব বিস্তার করে পারিবারিক বন্ধন নষ্ট করছে। পাশাপাশি এসব নোংরা সিরিয়ালের প্রভাব পড়েছে পরিবার ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে এবং তারা খুব সংগোপনে আমাদের শিক্ষার হৃদপিণ্ড সিলেবাসে হিন্দুয়ানী দেবদেবীর ছবি সহ সকল বিষয় সংযুক্ত করছে। সিলেবাসে এসব কাজ স্পষ্টতই ভাষা শহীদদের সাথে গাদ্দারী। ভাষা শহীদরা রক্ত দিয়ে জীবন দিয়ে যে ভাষা আমাদেরকে দিয়ে গেলেন আমরা সেই ভাষাকে ব্যবহার করে নবপ্রজন্মকে শিক্ষার নামে অপশিক্ষা-কুশিক্ষা প্রদান করছি।