মুরাদনগরে স্থানীয় নারীদের আশ্রয় চেয়ে থানায় অবস্থান।


deshsomoy প্রকাশের সময় : ২০২৪-০১-২৯, ৫:৩৬ অপরাহ্ন /
মুরাদনগরে স্থানীয় নারীদের আশ্রয় চেয়ে থানায় অবস্থান।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২৯, জানুয়ারি,২০২৪

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে টিটুর নেতৃত্বে শহিদ মিয়া নামের এক যুবক সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন।

সন্ত্রাসী টিটু আকরাম ঐ গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে ও কবির মেম্বারের ভাই আহত শহিদ মিয়া একই গ্রামের মোঃ মান্নান মিয়ার ছেলে।
অভিযোগ ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা তথ্য, দীর্ঘদিন যাবৎ শহিদ মিয়ার সাথে সন্ত্রাসী টিটুর সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। তারই জের ধরে ২৫শে জানুয়ারী রাত সাড়ে নয়টায় শহিদ মিয়া, বাড়ী ফেরার পথে হুমায়নের দোকানের সামনে আসলে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসী টিটু তার সঙ্গীয় বাহিনী নিয়ে শহিদ মিয়ার উপর আক্রমন করে এবং তাকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এ সময় শহিদ মিয়ার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে আহত অবস্থায় প্রথমে মুরাদনগর সাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে কুমিল্লা নিয়ে চিকিৎসা দেয়। এ বিষয়ে ২৬শে জানুয়ারী শহিদ মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সন্ত্রাসী টিটু আকরাম আবারো তাদের বাড়ী ঘরে হামলা চালিয়ে আতংক সৃষ্টি করে। ঐ এলাকার নারী-পুরুষ ভয়ে আতংকিত হয়ে শুক্রবার দুপুরে মুরাদনগর থানায় এসে আশ্রয় প্রার্থনা করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন, টিটু আসলেই এলাকার আতংক, সে যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সে দলের নেতার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে, সন্ত্রসী কার্যকলাপ করে থাকে। আমরা দেখেছি এমপি কায়কোবাদের আমলে তার সাথে সখ্যতা করে, সে নিরীহ মানুষের উপর অন্যায়-অত্যাচার করেছে, এমপি কায়কোবাদ ক্ষমতা হারানোর পর টিটু বিদেশে চলে যায়। পরবর্তীতে কিছু অসাধু নেতাকর্মীর ছত্রছায়ায় এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের দলে যোগ দিয়ে এলাকায় আসে। এসেই পুর্বের রুপে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করে। এখন বর্তমান এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য তার নাম ভাঙিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। প্রশাসন যদি তার লাগাম এখনি টেনে না ধরে তাহলে আমাদের এলাকার পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
চা দোকানদার হারুনের স্ত্রী বলেন, সত্য কথা বলায়, টিটুর লগে ১০-১২ জন পোলাপাইন আইয়া ঘরের বেঁড়া, দরজা-জানালা বাইড়াইয়া আতংক সৃষ্টি করে। ঘরে থাকা বাচ্চা ও মহিলারা ভয়ে চিল্লাচিল্লি করে ছোটাছুটি শুরু করে। ছেলে ঘর থেকে পলাইয়া রাস্তায় চলে গেলে সেখানে ফালাইয়া পোলারে মারে। এমন ঘটনা আমি জীবনেও দিখি নাই।
মুরাদনগর থানার ওসি তদন্ত শরিফ ইবনে আলম মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, রহিমপুরের ঘটনায় একটা অভিযোগ পেয়েছি। টিটুর কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে রহিমপুর গ্রামের অনেক মহিলা আশ্রয় চেয়ে থানায় অবস্থান করছে এমন প্রশ্নে ওসি তদন্ত বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।