মতলব উত্তরে ফেসবুক ফেক আইডির ছড়াছড়ি, জনমনে আতঙ্ক।


deshsomoy প্রকাশের সময় : ২০২৩-১০-১৬, ১:২২ অপরাহ্ন /
মতলব উত্তরে ফেসবুক ফেক আইডির ছড়াছড়ি, জনমনে আতঙ্ক।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৬, অক্টোবর,২০২৩

সুমন আহমেদঃ

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে সকল ফেসবুক আইডিকেই বুঝে থাকি। দিন বদলের সঙ্গে-সঙ্গে বাড়ছে ফেসবুক ব্যবহারকারী। তবে একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এটির অপব্যবহার এবং ফেক আইডির সংখ্যাও। যার ফলে সম্মান হানিকর ঘটনাও ঘটছে অহরহ, বাড়ছে স্বামী সংসারে অশান্তি। সারাদেশে নামে বে-নামের ফেসবুক একাউন্ট রয়েছে অসংখ্য, এর মধ্যে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলাও এর ব্যতিক্রম নয়।

গত ১৪ অক্টোবর চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এডভোকেট সেলিম মিয়ার নামে দুটি ফেক আইডি খুলে বিভিন্ন জনসাধারণকে রিকোয়েস্ট দিয়েছে বলে জানা গেছে, এবিষয়ে এডভোকেট সেলিম মিয়া বলেন আমাকে ছোট করা বা মানুষের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে একটি চক্র নিম্ন মন-মানসিকতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ষড়যন্ত্র করছে।

বর্তমানে এই উপজেলাতে মতলবের খবরা খবর, আকাশ ছোঁয়া’ নামের নানা ফেক আইডির ছড়াছড়ি, বাড়ছে জনমনে। আতঙ্ক। উগ্রবাদী স্টাটাস এবং কপি পেস্ট সংবাদ সংগ্রহ করে মতলব উত্তর উপজেলার আপামর জনসাধারণকে প্রতিনিয়ত নানা ধরণের হুমকি দিয়েই চলেছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বে-নামের ফেক আইডিগুলো নানারকম উষ্কানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে। শিগ্রহী এসব ফেক আইডিগুলো আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহব্বান জানান এলাকার সচেতন মহল।

উপজেলার সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীরা জানান, খুব দ্রুত সংবাদ পাওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম ফেসবুক। এখনই এসব নকল আইডি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ফেসবুকের প্রতি গ্রহণ যোগ্যতা হারিয়ে যাবে। বঞ্চিত হবে সঠিক তথ্য থেকে। ফেক আইডিতে ভুল সংবাদের কারণে চরম বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। সাংবাদিকের আইডিতে সত্য এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পাওয়া যায় বলেই এখনো ফেসবুক ব্যবহার করছি। এসব ফেক আইডিগুলোর বিরুদ্ধে এখনই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কঠোর প্রয়োগ বাস্তবায়ন করার জোর দাবি জানান তিনি।
মতলব উত্তর থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন জানান, উপজেলারা আমরা বেশকিছু ফেসবুক ফেক একাউন্টের অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুত এদেরকে চিহ্নিত করা হবে। অতি দ্রুত এসব ফেক আইডির মালিকদের ধরে শাস্তির আওতায় আনা হবে।