বন্দর কেওঢালা আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও জোড় পূর্বক ইটভাটা দখল।


deshsomoy প্রকাশের সময় : ২০২৩-১১-০৪, ৮:৪৫ অপরাহ্ন /
বন্দর কেওঢালা আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও জোড় পূর্বক ইটভাটা দখল।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,০৪, নভেম্বর,২০২৩

বন্দর প্রতিনিধিঃ

নারায়নগঞ্জ বন্দর উপজেলার মদনপুর কেওঢালা এলাকায় অবস্থিত আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও জোড় পূর্বক ইটভাটা দখল করে নিয়েছে স্থানীয় প্রবালশালী মহল। সূত্রে জানা যায়,মদনপুর কেওঢালা বাগদোবাড়িয়া এলাকায় অবস্থিত টাটা ইটভাটার প্রকৃত স্বত্বাধিকারী মালিক সন্জিত কুমার দাস।

মালিকপক্ষ দীর্ঘদিন নিজ দায়িত্বে ইটভাটা পরিচালনা করার পর গত পাঁচ বছর পূর্বে এলাকার আমানউল্লাহ ও অলিউল্লাহ গংদের নিকট ভাড়া দেয়। আমানুল্লাহ ও অলিউল্লাহ গং ভাড়িটিয়া হিসেবে নিজ দায়িত্বে টাটা ইট ভাটা পরিচালনা করে। তার মধ্যে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ন না হওয়ার পূর্বেই সঞ্জিত কুমার দাস অন্যদের নিকট পূনরায় ভাড়া দিয়ে দেয়। তবে টাটা ইট ভাটায় ভাড়াটিয়া আমানউল্লার নিজেস্ব জমি রয়েছে।

যাহা টাটা ইট ভাটার মধ্যে অবস্থিত। উক্ত জমি আমানুল্লাহ টাটা ইট ভাটায় ভাড়া দিতে রাজি নয়। অথচ দ্বিতীয় পক্ষের ভাড়াটিয়া জোড়পূর্বক জমি দখল করে ইট ভাটায় ইট তৈরীর চেষ্টা করছে। যেখানে কিছু পরিমাণ জমির প্রকৃত মালিক আমানুল্লাহ। আমানুল্লাহ উক্ত জমি নিজের আয়ত্বে থাকার জন্য আদালতে মামলা করে। মামলার তফসিল বর্নিত সম্পত্তি জেলা:- নারায়নগঞ্জ, থানা:-বন্দর,মৌজা :-কেওঢালা। খতিয়ান নং-সি,এস-১৬,এস,এ-৯,আর,এস-৮৫০,সি,এস-২১,এস,এ-১৪,আর,এস-৮৪৬ সি,এস–৮৯,এস,এ-৮৫ আর,এস-৩২৬ এস,এ-১৫,আর,এস-৮১৯ দাগ নং-এস,এ-১০৮৫,আর,এস-৩০৭১,এস,এ-১০৭৫ আর,এস-৩০৬৩ এস,এ-১০৭৪ আর,এস-৩০৩৪, এস,এ-১০৮২,আর,এস-৩০৬৮। যাহা বর্নিত সম্পত্তিতে দে:মোক:নং-১৯১/২৩ মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলবৎ আছে। এবং পিটিশন ৬১১/২৩ মামলা চলমান আছে। অথচ আমানুল্লাহ ও অলিউল্লাহর গং অভিযোগ করে বলেন, এলাকার প্রভাবশালী মহল জেড়পূর্বক জমি দখল করে ইটভাটা চালু করার পায়তারা করছে। অথচ তার পাশেই অবস্থিত নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়। আর তার পাশেই অবস্থিত আনন্দ ও টাটা ইট ভাটা। উক্ত ইটভাটা দুটি স্কুলের পাশে অবস্থিত হওয়ায় হাজারো শিক্ষার্থী ধুলো-বালি সহ বিভিন্ন ঠান্ডা জনিত রোগশোকে ভোগে। এমনকি শ্রেনীকক্ষ সহ আশাপাশের বাড়িঘর ধুলোয় একাকার হয়ে যায়। পাশাপাশি এলাকার পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। অথচ স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ক্ষমতার জোড়ে বছরের পর বছর ইট ভাটা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তার ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। আর এলাকাবাসীর দাবী প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা যেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মঙ্গলার্থে উক্ত দুইটি ইট ভাটা বন্ধ করে দেন।