প্রধানমন্ত্রীর ছোয়ায় ডাকুয়া ইউনিয়ন আলোকিত,


deshsomoy প্রকাশের সময় : ২০২৩-১০-০৩, ১০:২৭ অপরাহ্ন /
প্রধানমন্ত্রীর ছোয়ায় ডাকুয়া ইউনিয়ন আলোকিত,
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,৩ অক্টোবর ২০২৩

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়ন প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দ পেয়ে এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও চেয়ারম্যান বিশ^জিৎ রায়ের স্বচ্ছতায় সম্পূর্ণ বদলে গেছে ডাকুয়া ইউনিয়নের দৃশ্যপট। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী, ফুলখালী, ঠাকুরবাজার, বাংলা বাজার, ছোট চত্রা, বড় চত্রা, পাংগাসিয়া, তেতুলতলা এলাকায় উন্নয়নের চিত্র।

উন্নয়নের বিষয়ে ডাকুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা রাসেল সিকদার, লক্ষীকান্ত দাস, শিমুল দেবনাথ, মাসুদ গাজী, সুজন সিকদারসহ অনেকে বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমাদের এই ইউনিয়ন অবহেলিত ছিল। বিশ্বজিৎ রায় চেয়ারম্যান হওয়ার পর রাস্তাঘাট, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, কালভার্ট, পুলের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। শুধু তাই নয় বিপদে-আপদে ডাকলে সবসময় তাকে কাছে পাওয়া যায়।

তারা আরো বলেন, আগে আমাদের এখানে সবাই ভাতা পেত না কিন্তু চেয়ারম্যান মাইকিং করে সকল বাড়িতে বাড়িতে লোক পাঠিয়ে শতভাগ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা, জেলে চাল, মাতৃত্বকালীন ভাতা শতভাগ নিশ্চিত করেছেন। এতে আমরা ইউনিয়নবাসী অনেক সুবিধা পেয়েছি। তাই চেয়ারম্যানের জন্য আমরা সবসময় দোয়া করি। এ বিষয়ে ডাকুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল মিয়া বলেন, চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায় নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই জনসাধারণের আছে এবং থাকবেন। জনসাধারণ এখন ইউনিয়নে এসে তাদের সমস্যার দ্রুত সমাধান পেয়ে থাকেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নপূরণে ডাকুয়া ইউনিয়ন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে উপজেলায় স্থান করে নিয়েছে। এ বিষয়ে ডাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ডাকুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রামকে শহরে পরিণত করার জন্য সরকারী সম্পদের শতভাগ সুষম বণ্টন, পরিকল্পিত রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, সড়কে বাতি স্থাপন, পতিত জমিতে একযোগে কয়েক লাখ বৃক্ষরোপণ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, কৃষকদের সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান, পরিচ্ছন্ন হাট-বাজার, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অগ্রগতি, অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, আশ্রায়ন প্রকল্পসহ স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের মাধ্যমে এই ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলা হচ্ছে।

গৃহহীন পরিবারের বসবাসের জন্য আশ্রয় প্রকল্প নির্মাণ, স্বাস্থ্য সেবার জন্য কমিনিউটি সেন্টার, কৃষকদের মাঝে সার, বিজ, কিটনাশক, শ্যালো মেশিন বিতরণ। ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে বিভিন্ন মামলার আবেদন করা হয়। যার মধ্যে অনেক মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাল্য বিবাহ, মাদকমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ আমাকে ভালোবাসে। ডাকুয়া ইউনিয়ন যখন প্রধানমন্ত্রীর ছোয়ায় আলোকিত হচ্ছে ঠিক তখন একটি কুচক্রী মহল এই উন্নয়নকে সহ্য করতে না পেরে উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে চায়। তারা জামাত ও বিএনপি পন্থী। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তারা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে। তারা বুঝে গেছে জনগণ আর তাদেরকে চায় না। তাই তো তারা উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু এতে কোন লাভ হবে না। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ডাকুয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের জোয়ার কেউ থামাতে পারবে না। আপনারা সকলে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন। প্রধানমন্ত্রীর নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন। নৌকা হচ্ছে উন্নয়ন ও আস্থার প্রতীক। এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সন্তোষ কুমার দে বলেন, উপজেলার প্রতিটি উন্নয়ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ছোয়ায় আলোকিত। প্রধানমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে দিনভর কাজ করে যাচ্ছেন। আপনারা সকলে নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন। নৌকা জিতলেই উন্নয়ন অব্যহত থাকবে। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মু. সাহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে গলাচিপা উপজেলা।

আমরা ছোট বেলায় দেখেছি মানুষ হাটু সমান কাদা পেরিয়ে শহরে আসছে। কিন্তু আজ তারা গাড়িতে করে বাড়ি পৌছে যাচ্ছে। এ অবদান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার, এ অবদান বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার। এ বিষয়ে ১১৩ পটুয়াখালী-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এসএম শাহজাদা (এমপি) বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোয়ায় উপকূলবাসী আজ আনন্দিত। তারা আবার নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে চায়, তারা শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।