ধর্মপাশা সম্ভব্য ১৭০ টি প্রকল্পের ফসল রক্ষা বাঁধ এর মধ্যে ১টি বাঁধের কাজ শুরু


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২১-০১-০৪, ৩:৩৯ পূর্বাহ্ন / ২৫
ধর্মপাশা সম্ভব্য ১৭০ টি প্রকল্পের ফসল রক্ষা বাঁধ এর মধ্যে ১টি  বাঁধের কাজ শুরু
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত, ০৪-০১-২০২১

এম এইচ লিপু মজুমদার ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা
উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ যথাসময়ে শুরু করা হয়নি। এ উপজেলার আটটি হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের সম্ভাব্য ১৭০টি প্রকল্পের মধ্যে একটি মাত্র প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়েছে। ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ঠরা জানিয়েছেন, হাওর থেকে দেরিতে পানি নামার কারণে বাঁধের জরিপ , প্রাক্কলন তৈরি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি ( পিআইসি) গঠনের কাজ অনেকটাই পিছিয়েছে। এতে করে বোরো ফসরক্ষা নিয়ে এখানকার কৃষকেরা স্বস্তিতেই নেই। বাঁধের কাজ দেরিতে কাজ শুরু করায় এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার চন্দ্র সোনার থাল, সোনামড়ল, ধানকুনিয়া, ঘোড়াডোবা, জয়ধনা, কাইলানী,গুরমা ও গুরমার বর্ধিতাংশ এই আটটি হাওর সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ( পাউবো) অধীনে রয়েছে। পাউবোর নীতিমালা অনুযায়ী, গত বছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফসলরক্ষা বাঁধের জরিপ কাজ, প্রাক্কলন তৈরি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠন করার সর্বশেষ সময় সীমা ছিল। গত ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করে তা চলতি বছরের ২৮ ফেব্রয়ারির মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে।
এ উপজেলায় গত ১৬ ডিসেম্বর উপজেলার ধানকুনিয়া হাওরের নূরপুর ফসলরক্ষা বাঁধে মাটি ফেলার মধ্য দিয়ে এ উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের উদ্বোধন করা হয়। হাওর থেকে দেরিতে পানি নামার কারণে বাঁধের জরিপ, প্রাক্কলন তৈরি ও পিআইসি গঠনের কাজ পিছিয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন পাউবোর সংশ্লিষ্ঠরা।

হাওরপাড়ের কৃষকেরা জানিয়েছেন, এ উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ দেরিতে শুরু করার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। কোনো না কোনো অজুহাতে প্রতিবছরই বাঁধের কাজ পেছানো হয়। আর এ কারণে মাঝে মধ্যে ফসলডুবির ঘটনাও ঘটে। তাই হাওরের ফসলরক্ষায় দ্রুত বাঁধের কাজ শুরু করে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব মো.ইমরান হোসেন বলেন, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার হাওর থেকে দেরিতে পানি নেমেছে। তাই জরিপ, প্রাক্কলন তৈরিসহ সব কাজ পিছিয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ফসলরক্ষা পিআইসি গঠনসহ অন্যান্য কাজ শেষ করে পুরোদমে বাঁধের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।

ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) মো.মুনতাসির হাসান বলেন, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে এ উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের যাবতীয় কাজ শেষ করার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে সর্বরকম প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।