চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ১২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার ।


deshsomoy প্রকাশের সময় : ২০২৩-১২-৩১, ৭:৫৬ অপরাহ্ন /
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ১২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার ।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,৩১,ডিসেম্বর,২০২৩

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৯ বিজিবি) কর্তৃক ১২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টা হতে বেলা ১১টার মধ্যে বিস্ফোরক দ্রব্য বাংলাদেশে প্রবেশ করবে বলে গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারেন ৫৯ বিজিবি। সেপ্রেক্ষিতে অত্র ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ তেলকুপি বিওপির হাবিলদার মোঃ ফিরোজ আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি চৌকষ টহল দল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৮০/৭ এস হতে আনুমানিক ৫০০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি গ্রামের একটি আমবাগানে সুবিধাজনক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়। অতঃপর ২ জন লোক ভারত হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের সময় বিজিবি টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ/ধাওয়া করলে তাদের হাতে থাকা ২টি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া বস্তা দুটি তল্লাশী করে ১২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়।

উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো রহনপুর ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর K-9 ইউনিট সদস্য সিপাহী সুব্রত কান্ত ঘোষ এর সহযোগিতায় বিজিডি-১০১৬ ল্যাবরেডর, এক্সপ্লোসিভ ডগ ”টিপু” এবং RAB-৫ রাজশাহী এর বোম্ব ডিসপোজাল দল কর্তৃক বিস্ফোরক দ্রব্যগলো পরীক্ষা/নিরীক্ষা করা হয়। উক্ত নিরীক্ষায় বিস্ফোরক দ্রব্যগুলির মধ্যে বিস্ফোরক রয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে সত্যতা পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দ্রব্যগুলি শিবগঞ্জ থানায় জিডি করতঃ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান ৫৯ বিজিবি।

এ ব্যাপারে রহনপুর ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, মাদক এবং চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষে সীমান্ত এলাকায় অপারেশনাল কার্যক্রম বৃদ্ধি করাসহ বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।

রহনপুর ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) ‘র অধিনায়ক মোঃ গোলাম কিবরিয়া আরও বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে বিস্ফোরক দ্রব্যের একটি চালান তেলকুপি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ আসছিলো।